স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজের মুখে পড়া যশোর সদর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আদালতে দেওয়া জবাবে অব্যাহতি পেয়েছেন। রোববার সকালে তিনি সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জবাবে সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক মাসুদ রানার আদালতে হাজির হয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন। বিচারক তার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পরবর্তীতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
শুনানিকালে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম. এ. গফুরসহ বিএনপির একাধিক সিনিয়র আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, বিচারক অমিতের লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে নির্বাচনী আচরণবিধি পালনে আরও সতর্ক থাকার জন্য তাকে আহ্বান জানান। অমিতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষ প্রতীকপ্রাপ্ত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে শোকজ করা হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে রোববার সকাল ১১টায় সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
নোটিশে বলা হয়, গত ৪ ও ৫ জানুয়ারি যশোর শহরের টাউন হল ময়দানসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২০ হাজার কম্বল বিতরণ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়। এই কার্যক্রম ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪ নম্বর বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, একই দিনে সাবেক ছাত্রনেতা ও যশোর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক মুন্নার মরদেহ দলীয় পতাকায় আবৃত করে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম ও সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ যশোর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।




