যশোরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ইলিশ মাছ আটক

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক

বেনাপোল বন্দরে ভারত থেকে আসা একটি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ইলিশ মাছ আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আটককৃত চালানে মোট ৫৩ কার্টনে ৫ হাজার ৯৪৩ কেজি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে, যা অবৈধভাবে আমদানি ও শুল্কফাঁকির উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল।

মঙ্গলবার রাতে বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস সদস্যরা ট্রাকটি তল্লাশি করে ইলিশের বড় এই চালানটি আটক করেন।

কাস্টমস সূত্র জানায়, জান্নাত এন্টারপ্রাইজ মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বৈধ পথে ইলিশ আমদানির চেষ্টা করে। এ চালানের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ছিল আরজে এন্টার ন্যাশনাল। তবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বন্দর থেকে মাছ পাচারের অভিযোগ রয়েছে বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী শান্তর মালিকানাধীন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিংক এন্টার ন্যাশনাল–এর বিরুদ্ধে।

বুধবার দুপুরে বেনাপোল কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা উদ্ভব চন্দ্র পাল জানান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ইলিশ মাছ আমদানি করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টার গোপন তথ্য পাওয়া যায়। এরপর অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে আনা ৫৩ কার্টন ইলিশ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মাছ কাস্টমস বিধি অনুযায়ী নিলামে (অকশন) বিক্রি করা হবে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের শুল্কফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ১ হাজার ১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চিহ্নিত শুল্কফাঁকিবাজদের তালিকায় আলোচিত সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী শান্তের নাম রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব অনিয়মের সঙ্গে কাস্টমসের এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ প্রমাণিত হলেও বিভিন্ন কৌশলে সংশ্লিষ্টদের লাইসেন্স রক্ষা করে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়, যা রাজস্ব আদায়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।