Jashore , Saturday, 24 October 2026
সর্বশেষ:
জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কারে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক দলের প্রধান নেতা: রাশেদ খাঁন যশোরে ফুলকুঁড়ি আসরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণ যশোরে বিশ্ব পোলিও দিবসে বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক র‌্যালি টানা ১৮তম বার দ্রুততম মানবী যবিপ্রবির শিরিন আক্তার শ্যামকুড় মাধ্যমিকের এসএসসি ২০১৯ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত যশোরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২ যশোরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ ‘মিথ্যা’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন যশোরে জাতীয় পার্টির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ যশোরে ইয়াবাসহ ‘আইনজীবী সহকারী’ ও আলোচিত লাবনী গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের মহেশপুরে দত্তনগর বীজ ফার্মের খামারের বিল থেকে প্রতিবছর সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটছে এর ব্যতয়।

কামরুজ্জামান সজীব ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি// ঝিনাইদহের মহেশপুরে এশিয়ার বৃহত্তম দত্তনগর বীজ ফার্মের খামারের বিল থেকে প্রতিবছর সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটছে এর ব্যতয়।পরপর দু’বছর কোন রকম কোটেশন, নিলাম বা টেন্ডার ছাড়াই মথুরা খামারের শোলকুড় বিল ও সেচখালের দেশীয় প্রজাতির নানা মাছ ধরে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, এই জায়গার কোন কোটেশন, নিলাম হয় না। তবে স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর কোটেশন-টেন্ডার হয় কিন্তু বর্তমান কর্মকর্তারা এসবের ধার ধারছেন না। গত ৭দিন পানি সেচে বিল ও খালের সব মাছ ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন তারা।বাংলােদশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের মথুরা ফার্মের বিল-খাল ৪ থেকে ৭দিন ধরে অফিসিয়াল সেচযন্ত্র বসিয়ে সেচ কাজ করা হয়। কোটেশন-নিলাম ছাড়াই রাতে-দিনে চলে মাছ ধরার কাজ। সরেজমিনে দেখা গেছে কৈ, শিং,শোল-গজার সহ দেশীয় প্রজাতির সব মাছ সেখানকার কর্মকর্তারা ভাগ করে নিচ্ছেন।ইউনুস আলী নামের এক শ্রমিক জানান, রুই সহ বিভিন্ন দেশী প্রজাতির মাছ মেরে কর্মকর্তারা ভাগ করে নেন। বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও এমন তথ্য জানান। এদিকে ফার্মের শ্রমিকরা অনেক সময় ভয়ে কথা বলে না, তাদের চাকুরীচ্যুত করার হুমকি এমনকি চাকুরি থেকে অব্যহতি দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্ণীতির তথ্য দিলেই তাদের উপর এমন নির্যাতন করা হয়।জানা গেছে, মথুরা ফার্মের পক্ষ থেকে গত ৩মাস ধরে ১৫হাজার টাকা বেতনে শ্রমিক শোলকুড় বিল ও খালের মাছ পাহারার জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। নিয়োগ দেয়া শ্রমিকের নাম সুমন বলে জানা গেছে। এছাড়া সিরাজ ও আব্দুল হক দিনে পাহারা দেয় এই বিল-খাল। মথুরা ফার্মের স্টাফ ছাদরুল হোসেন এসব বিল-খাল সেচ ও মাছ ধরার নানা দায়িত্ব পালন করেন।দত্তনগর খামারের মথুরা ফামর্টির সাবেক উপ-পরিচলক জহিরুল ইসলামও জানান, উপস্থিত নিলাম বা কোটেশান করে তার সময়ে মাছ বিক্রি করা হয়েছে। আরেক সাবেক উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন জানান, তার সময়ে পানি বেশী থাকলে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকারও টেন্ডার হয়েছে তবে পানি কম-বেশী হলে নিলাম বা কোটেশন করা হয়।দত্তনগর খামারে ফার্মের দুই উপ-পরিচালক কে দেখা গেছে মাছ ধরার সময় উপস্থিত থাকতে। মাছ নেয়ার জন্য আনা হয়েছে বড় আকারের ড্রাম। তবে ক্যামেরা দেখে হকচকিয়ে যান তারা। মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক মজিবর রহমান খান কোন প্রকার কোটেশান-নিলাম, টেন্ডারের কথা অস্বীকার করেন। এছাড়া গোকুলনগর ফার্মের উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেন জানান, সামান্য কিছু মাছ ধরা পড়েছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 07:39 am, Sunday, 2 May 2021
28 Time View

ঝিনাইদহের মহেশপুরে দত্তনগর বীজ ফার্মের খামারের বিল থেকে প্রতিবছর সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটছে এর ব্যতয়।

Update Time : 07:39 am, Sunday, 2 May 2021

কামরুজ্জামান সজীব ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি// ঝিনাইদহের মহেশপুরে এশিয়ার বৃহত্তম দত্তনগর বীজ ফার্মের খামারের বিল থেকে প্রতিবছর সরকার রাজস্ব পেয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে ঘটছে এর ব্যতয়।পরপর দু’বছর কোন রকম কোটেশন, নিলাম বা টেন্ডার ছাড়াই মথুরা খামারের শোলকুড় বিল ও সেচখালের দেশীয় প্রজাতির নানা মাছ ধরে ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, এই জায়গার কোন কোটেশন, নিলাম হয় না। তবে স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর কোটেশন-টেন্ডার হয় কিন্তু বর্তমান কর্মকর্তারা এসবের ধার ধারছেন না। গত ৭দিন পানি সেচে বিল ও খালের সব মাছ ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়েছেন তারা।বাংলােদশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দত্তনগর বীজ উৎপাদন খামারের মথুরা ফার্মের বিল-খাল ৪ থেকে ৭দিন ধরে অফিসিয়াল সেচযন্ত্র বসিয়ে সেচ কাজ করা হয়। কোটেশন-নিলাম ছাড়াই রাতে-দিনে চলে মাছ ধরার কাজ। সরেজমিনে দেখা গেছে কৈ, শিং,শোল-গজার সহ দেশীয় প্রজাতির সব মাছ সেখানকার কর্মকর্তারা ভাগ করে নিচ্ছেন।ইউনুস আলী নামের এক শ্রমিক জানান, রুই সহ বিভিন্ন দেশী প্রজাতির মাছ মেরে কর্মকর্তারা ভাগ করে নেন। বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও এমন তথ্য জানান। এদিকে ফার্মের শ্রমিকরা অনেক সময় ভয়ে কথা বলে না, তাদের চাকুরীচ্যুত করার হুমকি এমনকি চাকুরি থেকে অব্যহতি দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্ণীতির তথ্য দিলেই তাদের উপর এমন নির্যাতন করা হয়।জানা গেছে, মথুরা ফার্মের পক্ষ থেকে গত ৩মাস ধরে ১৫হাজার টাকা বেতনে শ্রমিক শোলকুড় বিল ও খালের মাছ পাহারার জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। নিয়োগ দেয়া শ্রমিকের নাম সুমন বলে জানা গেছে। এছাড়া সিরাজ ও আব্দুল হক দিনে পাহারা দেয় এই বিল-খাল। মথুরা ফার্মের স্টাফ ছাদরুল হোসেন এসব বিল-খাল সেচ ও মাছ ধরার নানা দায়িত্ব পালন করেন।দত্তনগর খামারের মথুরা ফামর্টির সাবেক উপ-পরিচলক জহিরুল ইসলামও জানান, উপস্থিত নিলাম বা কোটেশান করে তার সময়ে মাছ বিক্রি করা হয়েছে। আরেক সাবেক উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন জানান, তার সময়ে পানি বেশী থাকলে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকারও টেন্ডার হয়েছে তবে পানি কম-বেশী হলে নিলাম বা কোটেশন করা হয়।দত্তনগর খামারে ফার্মের দুই উপ-পরিচালক কে দেখা গেছে মাছ ধরার সময় উপস্থিত থাকতে। মাছ নেয়ার জন্য আনা হয়েছে বড় আকারের ড্রাম। তবে ক্যামেরা দেখে হকচকিয়ে যান তারা। মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক মজিবর রহমান খান কোন প্রকার কোটেশান-নিলাম, টেন্ডারের কথা অস্বীকার করেন। এছাড়া গোকুলনগর ফার্মের উপ-পরিচালক দেলোয়ার হোসেন জানান, সামান্য কিছু মাছ ধরা পড়েছে।