সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নতুন একটি হত্যা মামলা দায়ের

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ডা. ওমর চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি// চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে নতুন একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী হতে যাচ্ছেন আসামি। নতুন করে মিতুর স্বামী ও পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। বুধবার (১২ই মে) দুপুরে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থাকায় বাবুল আক্তারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে বাবুল আক্তারকে।মামলা দায়ের করার পরই বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখানোর কথা রয়েছে। গ্রেপ্তার দেখানোর পরপরই সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে বলে জানানো হয় পিবিআই’র পক্ষ থেকে।বুধবার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার জানান মিতু হত্যায় বাবুল আক্তারেরর সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে পিবিআইয়ের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।এদিকে, চট্টগ্রাম নগরীতে মিতুকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।২০১৬ সালের ৫ই জুন চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মাহমুদা আক্তার মিতুকে। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন মিতুর স্বামী পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তার। পরে মামলটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।২০১৬ সালে বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই বছরের ৬ই সেপ্টেম্বর তাকে পুলিশ সুপারের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।এরপর ২০২০ সালে আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত ভার পায় পিবিআই। এরপর, গত সোমবার বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে নেয়া হয়।মিতু হত্যাকাণ্ডের পর ধারণা করা হয় জঙ্গিরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত। কারণ হিসেবে ধারণা করা হয় বাবুল আক্তার জঙ্গিবিরোধী অপারেশনে প্রথম সারির পুলিশ কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন। পরবর্তীতে হত্যার ঘটনা ভিন্নদিকে মোড় নেয়। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা হত্যাকাণ্ডের জন্য বাবুল আক্তারকে দায়ী করে তার বিচার দাবি করে আসছিলেন।