দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের চরদিয়াড় গ্রামের দিনমজুর রতন লিমার ঘর আলো করে মাস খানেক পূর্বে দুই কন্যা শিশুর জন্ম হয়। যমজ কন্যা শিশু জন্ম হওয়ার খুশিতে তাদের নামটাও রাখে হাসি, খুশি।
কিন্তু করোনা মহামারীর কারনে দেশে কঠোর লকডাউন চলায় হাসি, খুশি’র দিনমজুর বাবা কর্মহীন হয়ে পড়ায় সংসার চালানোসহ তাদের দুধ কেনার টাকা জোগাড় করতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন দারে দারে। এমন কঠিন বাস্তবতায় হাসি, খুশি’র মুখ দু’টি হাসিতে ভরিয়ে রাখতে মা লিমা দুধের পরিবর্তে ভাতের মাড় খাওয়াচ্ছে কয়েকদিন ধরে।
“দৌলতপুরে যমজ শিশুর দুধ কিনতে কর্মহীন বাবার কান্না” শিরোনামে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ পত্রিকাসহ বেশ কিছু অনলাইনে বিভিন্ন শিরনামে খবর প্রকাশের পর শিশু কন্যা হাসি ও খুশির জন্য শিশু খাদ্যসহ নগদ অর্থ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তারের তদারকিতে পৌছে দিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান।
সেময় শিশু খাদ্যসহ চাউল, ডাউল, তৈল, আলু, সেমাই হাসি ও খুশি’র বাবা মা’র হাতে তুলে দেন। এবং পরবর্তিতে আরোও সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেন তাদের।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারের নির্দেশে যমজ কন্যা শিশুর বাবা মায়ের হাতে শিশু খাদ্যসহ নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ছবির ক্যাপশন: যমজ শিশুদের বাবা রতন আলী ও মা লিমা খাতুনের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দিচ্ছেন আব্দুল হান্নান।




