কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// এক বছরে ঢাকার পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে আড়াই হাজার পয়েন্ট। কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে হাজার কোটি টাকা। প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড হয়েছে বাজার মূলধনে। কিন্তু এভাবে শেয়ারবাজার চাঙা হওয়ার কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই- বলছে গবেষণা সংস্থা সিপিডি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ডিএসই’র পরিচালকরা বলছেন- শেয়ারবাজারে উত্থানের পেছনে কোন অস্বাভাবিক কারণ নেই।ঢাকার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামিট। গত আগস্টেই আরামিটের শেয়ারের দাম ছিলো ১১ টাকা ৯০ পয়সা। চলতি আগস্টে সেটির দাম ছাড়িয়ে গেছে ৬১ টাকা। এক বছরে প্রায় ছয় গুণ দাম বেড়েছে জেড ক্যাটাগরির এই শেয়ারের।গেল এক বছরে করোনা বিধিনিষেধে কল-কারখানা দফায় দফায় বন্ধ হয়েছে। তবুও দর বেড়েছে বেশিরভাগ শেয়ারের। দাপট দেখিয়েছে বীমা খাত। এখন বাজারে চালকের ভূমিকায় প্রকৌশল, ওষুধ আর টেক্সটাইল খাতের কোম্পানির শেয়ার।সূচক, লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি বাজার মূলধনেও রেকর্ড। তেসরা আগস্টে বাজার মূলধন পৌছে যায় ৫ লাখ ৪১ হাজার ৫৬২ কোটি ২৫ লাখ ৩১ হাজার টাকায়।করোনার এই সময়ে শেয়ারবাজারের এমন উত্থান যৌক্তিক নয়, বলছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ- সিপিডি।সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘এ মুহূর্তে অর্থনীতির যে পরিস্থিতি পুঁজিবাজার চাঙ্গা হওয়ার যুক্তি খব কম। বলা হচ্ছে যে ধরনের শেয়ারগুলোতে এ ধরনের ট্রানজেকশন হচ্ছে সেগুলোও সন্দেহজনক। সুতরাং এখানে যে এক ধরনের বাবল হচ্ছে সেটার আশঙ্কা রয়েছে।এখনকার পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিক ঘটনা নেই। মূল্য আয় অনুপাত যৌক্তিক অবস্থানে বলে দাবি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক রকিবুর রহমানের। তিনি বলেন, ‘আমাকে বলতে হবে কোন যুক্তিতে সিপিডি এ কথা বলেছে। বাজারে বাবল হচ্ছে, বাজার ব্লাস্ট হতে পারে, বাজার বাড়ার কোন যুক্তি নাই। যেখানে সুদের হার কমিয়ে দেয়া হয়েছে, হাজার হাজার বিনিয়োগকারী রয়েছে। এখানে তো কোন বাবল হচ্ছে না। একটা শেয়ারের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা হয়েছে। ফার্মাসিউটিক্যালস কি আপনি ধরে রাখতে পারবেন?’ঢাকার পুঁজিবাজারে ২০ হাজার ১২২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বাজার মূলধন বেড়েছে মাত্র এক মাসের ব্যবধানে।




