কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// পঁচাত্তর-পরবর্তী প্রায় দুই দশক ধরে নানা ঘটনায় আরও দেখা যায়, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা দেশে-বিদেশে যেখানেই থেকেছেন, সেখানে বসেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন।বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। এ দীর্ঘ বছরগুলোতে জিয়াউর রহমানের সামরিক ও বিএনপি সরকার, এরশাদের সামরিক ও জাতীয় পার্টি সরকার এবং খালেদা জিয়ার দুই আমলের বিএনপি সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসের এ কলঙ্কজনক হত্যাকাণ্ডের বিচার হতে দেয়নি; বরং এ সরকারগুলো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের দেশ-বিদেশে বহুভাবে সহযোগিতা করেছে।জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় হত্যাকারীদের বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে চাকরি এবং তাঁদের পদোন্নতির ব্যবস্থা করেছিলেন। বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড এবং দেশের ভেতরে অভ্যুত্থানের চেষ্টার সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেলেও তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরশাদ সরকারের আমলেও দূতাবাসগুলোতে খুনিদের পদোন্নতি ও সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থেকেছে। শুধু তা-ই নয়, এরশাদ সরকারের সহায়তায় তাঁরা দেশে ফিরে এসে একাধিক রাজনৈতিক দল (প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তি-প্রগশ ও ফ্রিডম পার্টি) গঠনের সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের সংসদে বসারও সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। নব্বইয়ের পর খালেদা জিয়ার দুই সরকারও তাঁদের সহযোগিতা করেছিল। সুপ্রিম কোর্টে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হতে দেয়নি।







