মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার// সরকার হঠাৎ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোয় পরিবহণ খাতে সৃষ্ট অচলাবস্থার দায় নেবে না বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এমন মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।শনিবার দুপুরে অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। সরকার হঠাৎ করে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর ৩ দিন পর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।নসরুল হামিদ বলেন, আমরা কিন্তু দাম বাড়াচ্ছি না। সারা বিশ্বের সাথে সমন্বয় করছি। আমাদের দেশ থেকে তেল বিদেশে পাচার হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। তেলের পাম্পগুলোতে অবৈধ মজুদ ঠেকাতেই দাম বাড়ানোর হঠাৎ সিদ্ধান্ত।তিনি আরও বলেন, আগাম ঘোষণা দিলে তো সব তেল সাথে সাথেই মজুদ করা হতো।
দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কখনও আগাম ঘোষণা দিতে হয় না। ভারত প্রায় প্রতিদিন দাম বৃদ্ধি করে অথচ আমরা সেখানে চার বছর পর পর এটা করছি।ডিজেলের দাম বাড়াতে সরকার নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান-বিইআরসিকে পাশ কাটিয়েছে। আইন অনুযায়ী, জ্বালানির দাম বাড়ানোর একক এখতিয়ার বিইআরসির।
এ বিষয়ে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম বলেন, একটি রাষ্ট্রের শাসন বিভাগের সবোর্চ্চ কর্তৃপক্ষ যদি এভাবে আইন লঙ্ঘনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তাহলে সেটা ক্ষতিকর। প্রশাসনিক সুশাসনে যে কত বিপর্যয় ঘটেছে তা এই দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো।এদিকে, শনিবার মিয়ানমারে ১ লিটার ডিজেল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ টাকা। শ্রীলংকায় ৪৭ টাকা। আর কলকাতায় ১০৪ টাকায় বিক্রি হয়।
উল্লেখ্য, গেল বুধবার রাতে প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য ৬৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮০ টাকা করা হয়। এরপর, শুক্রবার সকাল থেকে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও লরিচালক-মালিকেরা গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বাসচালক-মালিকেরা।






