কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার// ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক রিশাদ হুদার উপরে হামলার ঘটনায় ক্রসফায়ারে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নানের শ্যালক নাজিমুদ্দিন বাবুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় মোটর সাইকেলে যাওয়ার পথে সাইড দেয়া নিয়ে বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে সাংবাদিক রিশাদ হুদার উপর দুই দফা হামলা চালায় ওই নাজিম উদ্দিন আহমেদ বাবু তথা নাজিম আহমেদ। এসময় তার গাড়ী চালক ইকবাল ও তানভীর সহ দশ থেকে বারোজন হামলায় অংশ নেয়।
শাহবাগ এলাকায় রাস্তায় গাড়ির সাইড চাইতে গেলে বাবু ও তার সহযোগীরা গাড়ি থেকে নেমেই সিনিয়র সাংবাদিক রিশাদ হুদাকে প্রথমে গালি-গালাজ ও কিলঘুষি মারতে থাকে।এক পর্যায়ে রিশাদ হুদা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পর পুনরায় ক্ষিপ্ত হয়ে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। পরে স্থানীয় লোকজন আহত সাংবাদিক রিশাদ হুদাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তার মাথায় সিটি স্ক্যান করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন।ঘটনাস্থল থেকে নাজিমউদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তার নামে বিভিন্ন থানায় ইয়াবা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে। এই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়ের করায় বাদীকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে আসামী পক্ষ। এঘটনায় সাংবাদিক রিশাদ হুদা নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন বলে দাবি করেন। পুলিশ জানায় বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। শাহবাগ থানার ওসি মওদুত হাওলাদার বলেন, ‘প্রথমে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে সাংবাদিকের উপর হামলা করা হয়। হামলাকালীন সময়ে পুলিশ যেয়ে সাংবাদিক কে উদ্ধার করে। মূল অভিযুক্ত নাজিম আহমেদ কে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা গ্রেফতার করি এবং থানায় নিয়ে আসি।
বাকি আসামীদের গ্রেফতারের পরবর্তী যে পদক্ষেপগুলো আছে সেগুলো আমরা গ্রহন করবো’।ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির সাংবাদিক রিশাদ হুদা বলেন, ‘অপরাধীরা আসলে সমঝোতার কথা বলে আমাকে আবার হুমকি দিয়েছে। সুতরাং আমি আসলে কোনো অবস্থাতেই নিরাপদবোধ করছিনা’।
এদিকে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক ও দুদক বিটের সংগঠন র্যাকের সিনিয়র সদস্য রিশাদ হুদার উপর হামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র্যাক) ।







