দৌলতপুর থানায় অভিযোগকারী বাদীকে আসামীর নাম কর্তন করার চাপ প্রয়োগ করছেন এসআই অরুন কুমার বিশ্বাস!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:-কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানায় অভিযোগকারী বাদী ৭নং হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সাদীপুর গ্রামের মৃত নজের আলীর ছেলে মোঃ আসাদ আলীকে আসামীর নাম কর্তনের জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন এসআই অরুন কুমার বিশ্বাস বলে অভিযোগ উঠেছে।জানাযায়, গত ২৮শে নভেম্বর তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে আসমত আলী তালা মার্কা প্রতিকের সমর্থক হিসেবে নির্বাচনের প্রচার প্রচারোনা করেন।

এবং নির্বাচনে তালা মার্কা প্রতিক জয়লাভ করেন। সে কারনে টিউবয়েল মার্কা প্রতিকের সমর্থক’রা ক্ষুদ্ধ হয়ে আসাদ আলী’র ঘর বাড়ী ভাঙ্গচুর করে তার টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। ঘরবাড়ী ভাঙ্গচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে থানায় ৬জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আসাদ আলী।

আর সেই অভিযোগের তদন্তভার পড়ে এসআই অরুন কুমার বিশ্বাসের উপর। তদন্ত না করে তিনি অভিযোগকারী বাদীকে অভিযোগের ৬নং আসামী মোঃ হুমায়ন (৬৮) এর নাম কর্তন করার জন্য এলাকা থেকে তুলে নিয়ে থানায় বসিয়ে মানুষিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেন এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখান বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী বাদীকে আসামীর নাম কর্তন করার জন্য থানায় নিয়ে মানুষিকভাবে চাপ প্রয়োগ করেছেন কিনা?

এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই অরুন কুমার বিশ্বাস বলেন, আপনি কিভাবে জানলেন আমি চাপ প্রয়োগ করেছি। আমি কোন চাপ প্রয়োগ করিনি বলে তিনি ১মিনিট পরে আপনাকে ফোন দিচ্ছি বলে সময় চেয়ে নেন। পরে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিব করেননি এই প্রতিবেদকের।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, অভিযোগকারী বাদীকে এসআই অরুন কুমার বিশ্বাস মোবাইল ফোনে কল করে বলেন সাংবাদিক আমাকে ফোন দিয়েছিল, আপনি সাংবাদিককে কিছু বলেছেন কিনা? তিনি আরোও বলেন, আপনি সাংবাদিকের সামনে গিয়ে মোবাইল রেকর্ড চালু রেখে বলবেন আমি আপনাকে তুলে নিয়ে আসিনি আপনাকে কোন প্রকার জোর করিনি।

এবং সেই রেকর্ড টা আমাকে পাঠাবেন। এব্যাপারে দৌলতপুর থানার (ওসি) এমএম জাবীদ হাসান বলেন, অভিযোগের ব্যাপারটা আমার জানা আছে কিন্তু বাদীকে তুলে এনে আসামীর নাম কর্তন এবং চাপ প্রয়োগের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই বলে তিনি বলেন।