মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি// অর্থপাচারে জড়িত সন্দেহজনক ১৪টি প্রতিষ্ঠান ও ২৯ ব্যক্তির তালিকা হাইকোর্টে জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।
বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা একটি রিট আবেদনের শুনানিতে অর্থপাচারকারী ১৪ প্রতিষ্ঠান ও ২৯ ব্যক্তির তালিকা দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। শুনানিতে জানানো হয়, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের নাম সংগ্রহ করেছে দুদক।
তালিকায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী মূসা বিন শমসেরসহ অনেক আলোচিত শীর্ষ ব্যবসায়ী। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি এবং মাল্টিমোড লিমিটেডের আবদুল আউয়াল মিন্টুসহ তার পরিবারের ৫ সদস্যের নামও রয়েছে তালিকায়।
শুনানিতে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল ইসলামের বেঞ্চ দুর্নীতি ও অর্থপাচারমুক্ত দেশ গড়তে আইনজীবী-সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতা চান।দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানান, টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, কেউ অর্থপাচার রোধ করতে পারছে না-এর উপায় কী, আইনের সীমাবদ্ধতা আছে কী না এবং কার কী দায়িত্ব-তা সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কী না আদালত এসব বিষয় খতিয়ে দেখবে। জানান, দুদকের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার।
প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে তাদের নাম সংগ্রহ করা হয়েছে বলে শুনানিতে জানান দুদকের আইনজীবী।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ কে এম আমির উদ্দিন মানিক বলেন, হাইকোর্টের বিচারপতিসহ সংশ্লিষ্টরা সবার সহযোগিতা চান। কারা অবৈধ উপার্জন করছেন এবং বিদেশে অর্থপাচার করছে সেসব তথ্য গোপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা হাইকোর্টের কাছে সরবরাহ করার আহ্বান জানান।
কারণ যেসব টাকা পাচার হচ্ছে তা জনগণের টাকা।পরে আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করে আদালত। বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের যথাযথ পদক্ষেপ চেয়ে গেল ১লা ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে এই রিটের আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী।




