মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার// খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে পারলে কিশোর-কিশোরীরা মাদকসহ অন্যান্য অপরাধে জড়াবে না। তাই খেলাধুলার বিকাশে প্রত্যেক বিভাগে একটা করে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দেয়া হবে।
এমন প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে আয়োজিত খেলাও উপভোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে খেলোয়াড়দের মাঝে বিশেষ আর্থিক অনুদানেরও চেক তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। খেলাধূলার বিকাশে জাতির পিতার গভীর মনোযোগ ছিল উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে ছেলেমেয়েরা যাতে দেশের মুখ যেন উজ্জল করতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। সেজন্য দেশের প্রতিটি বিভাগে ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করা হবে। ইতোমধ্যে দুটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে করা হবে। এছাড়া প্রত্যেক উপজেলায় উন্নত মানের স্টেডিয়াম তৈরি করা হচ্ছে। মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ থেকে কিশোর-কিশোরীদের দূরে রাখতে খেলাধূলায় অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শরীর চর্চা হয়।
মন সুন্দর হয় এবং যারা খেলাধুলা করে একে অপরের সাথে যোগাযোগ হয়। যা চাপ এবং মানস গঠনে সহায়তা করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় খেলাধুলার প্রতি যত্নবান এবং আমরা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি। বিশেষ করে এবারে আমাদের নির্বাচনী ইশতিহার উৎসর্গ করেছি তারুণ্যর শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি।
আমরা তরুণ সমাজকে উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।অসুস্থ ও বয়স্ক খেলোয়াড়দের সহায়তায় সরকারের আর্থিক বরাদ্দ অব্যাহত রাখার কথাও জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা।




