ফরিদুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার// দীর্ঘদিন ফাইলবন্দি থাকা দুর্নীতির মামলার তদন্ত দুই বছরের মধ্যেই নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এছাড়া বিচারিক আদালতে সাড়ে ৩ হাজার দুর্নীতি মামলা নিষ্পত্তিতেও মনোযোগী হয়েছে সংস্থাটি।রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, আমলাসহ বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা ৩শ’ মামলার তদন্ত চলছে দুর্নীতি দমন কমিশনে।
যার বেশির ভাগ মামলার তদন্তই ফাইলবন্দি বছরের পর বছর।অন্যদিকে বিচারিক আদালতে সাড়ে তিন হাজার দুর্নীতি মামলার জট। যারমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ২০৩টি আর স্থগিত ৪২০টি মামলা। দীর্ঘদিন ফাইলবন্দি থাকা মামলাগুলো নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে দুদক।
দুদক কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক বলেন, আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব অভিযোগগুলোকে নিষ্পত্তির দিকে নিয়ে যাওয়ার। এছাড়া দুর্নীতি মামলার তদন্ত দুই বছরের মধ্যেই নিষ্পত্তির উদ্যোগও আমরা নিয়েছি। আমরা তাগিদ দিয়েছি প্রত্যেক মাসে অন্তত তিনটি করে মামলা যাতে নিষ্পত্তি করা হয়। এভাবে চলতে থাকলে এক-দুই বছরের মধ্যে দীর্ঘদিন ফাইলবন্দি থাকা মামলার সংখ্যাও কমে যাবে।
এসব মামলা কিন্তু প্রায় ১৭ বছরের।এদিকে তৃণমূল পর্যায়ে দুর্নীতি কমাতে নতুন বছরটিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে দুদকের কার্যক্রম। এর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ ১৪জেলায় ছয়মাসের মধ্যে খোলা হবে দুদকের কার্যালয়। দুদক কমিশনার বলেন, এ বছরই আরও ১৪ টি জেলায় দুদকের কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে। যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই তাদের অভিযোগ নির্ধারিত জায়গায় করতে পারে।
আমাদের ইচ্ছা আছে সারাদেশেই দুদকের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করার।২০২২ সালে দুদকের কার্যক্রম আরো গতিশীল হওযার প্রত্যাশা করেন দুদক কমিশনার জহুরুল হক।







