পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে গরুপাচারকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ১৭ পুলিশ আহত

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

বাপ্পি বিশ্বাস ভারত প্রতিনিধি// গরুপাচারকে কেন্দ্র করে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের উছলপুকুরিয়া বামুনিয়াপাড়া। পাচার আটকাতে গিয়ে গ্রামবাসীদের রোষের মুখে পড়ে পুলিশ।

পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছোড়ে তারা। এ ঘটনায় ১৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে মেখলিগঞ্জের উছলপুকুরিয়া বামুনিয়াপাড়া এলাকায় হানা দেয় পুলিশের একটি দল।

পুলিশের দাবি, এলাকার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিয়ে গিয়ে গরু পাচারের উদ্দেশ্য ছিল পাচারকারীদের। খবর পাওয়া মাত্রই এলাকায় ঢুকতে গিয়ে গ্রামবাসীর বাধার সম্মুখীন হতে হয় পুলিশকে। তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাথর ছুড়তে শুরু করে।

তবে গরু পাচারে সফল হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্র জানায়, ওই হামলায় আহত হয়েছেন ১৭ পুলিশ সদস্য। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের আঘাত গুরুতর। কারও কারও পিঠের আঘাত বেশ জোরাল। আহত পুলিশদের মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

হামলার খবর পেয়েই পরবর্তীতে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায় ও ৩৪টি গরু উদ্ধার করে। এর পাশাপাশি ৪ নারী ও ২ জন পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা রয়েছে।এলাকার বেশকিছু জায়গায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই।

সেই জায়গা দিয়েই পাচার করা হয় গরু। আগেও পুলিশ ও বিএসএফের যৌথ উদ্যোগে একাধিকবার গরু পাচারকারীদের আটকানো হয়েছে।

এবারও ওই ৩৪টি গরু পাচারের মতলবে ছিল পাচারকারীরা।পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ওই এলাকায় এই প্রথম নয়, এর আগেও গরু পাচার রুখতে সেখানে বহুবার বিএসএফের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ।

সেক্ষেত্রেও তাদের বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, গ্রামবাসীদের হামলায় এদিন বেশ কয়েকজন পুলিশের মাথা ফেটে গিয়েছে। এছাড়া হাতে ,পায়ে , মুখে, অনেকে আবার পিঠে চোট পেয়েছেন। ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত আছে বলে মনে করছে পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে স্থানীয় থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।