১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ইসি’র দায়িত্ব পালন করবেন সচিব

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি:- নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং কমিশনাররা যোগ দেয়ার আগ পর্যন্ত কমিশনের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবেন প্রতিষ্ঠানটির সচিব। এমনটাই জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

রবিবার নির্বাচন কমিশনের এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা জানান।সোমবার কে এম নূরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনে দেরি হলেও আইনে তা শূন্যতা হিসেবে নেই। নতুন কমিশন আসা পর্যন্ত বর্তমান কমিশনের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

সরকার গণতন্ত্র এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সব পদক্ষেপই নিচ্ছে।এদিকে, আগামীকাল সোমবারই শেষ হচ্ছে কে এম নুরুল হুদা কমিশনের মেয়াদ। বিদায়ের আগেরদিন রাজধানীর একটি তারকা হোটেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

এসময় কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষভাবে সম্মানিত করতেই প্রথমবার এমন জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হচ্ছে।প্রথম দফায় সরকারের কয়েকজন সাবেক-বর্তমান মন্ত্রী, বিভিন্ন দলের রাজনীতিক ব্যক্তিসহ মোট ৬৮ বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে এ পরিচয়পত্র তুলে দেয়া হয়। পর্যায়ক্রমে নিবন্ধিত সব মুক্তিযোদ্ধা এ স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন বলেও জানায় কমিশন।এছাড়াও, বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়ে সোমবার শেষ কর্মদিবসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।

উল্লেখ্য, আগামী ১৪ই ফেব্রুয়ারি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠন করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে যোগ্য ব্যক্তি খুঁজে নিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৬০ জন বিশিষ্টজনের মতামত নিচ্ছে সার্চ কমিটি। এরই অংশ হিসেবে শনিবার সব মিলিয়ে ৩২৯ জনের নামের প্রস্তার পেয়েছে সার্চ কমিটি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে ১৩৬ জনের, পেশাজীবীদের কাছ থেকে ৪০ জনের নাম এসেছে। এ ছাড়া, ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন ২৯ জন এবং ইমেইলে এসেছে ১২৪ জনের নাম।

এরপর সিইসি ও অন্যান্য ইসি পদে দুইজন করে মোট দশজনের নাম রাষ্ট্রপ্রতির কাছে সুপারিশ করবে সার্চ কমিটি। সেখান থেকে পাঁচজনকে নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। এই কমিশনের নেতৃত্বেই হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।