কাকলি সুলতানা স্টাফ রিপোর্টার:– অমর একুশে বইমেলা-২০২২ শুরু হয়েছে ১৫ই ফেব্রুয়ারি। লেখক-পাঠকদের পদচারনায় ছুটির দিনে জমে উঠেছে একুশে বইমেলা।
আজ শুক্রবারও (১৮ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরের আগে থেকেই মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে।বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গন ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বেলা ১১টায় দিনের মেলা শুরুর পর থেকেই সব বয়সী পাঠক-দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বইমেলা প্রাঙ্গণ। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসতে থাকেন বইপ্রেমীরা।
বড়দের পাশাপাশি নিজের পছন্দের বইটি নিতে এসেছে শিশু কিশোররাও। বইমেলায় এবার দৃষ্টিনন্দন প্যাভিলিয়নগুলোও আকর্ষণীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে পাঠক দর্শনার্থীদের কাছে। তবে এবার বইমেলায় শিশু প্রহর নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, তরুণ-তরুণীদের অনেকে সেলফি তোলায় ব্যস্ত। তাদের অনেকেই প্রায় প্রতিদিনই মেলায় এলেও কিছু বই কেনেন মেলার শেষ দিকে। প্রকাশকেরাও ছুটির দিন ঘিরে স্টলে বইয়ের সংখ্যা বাড়িয়েছেন।
বিক্রয়কর্মীদের ভাষ্য, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হিসেবে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়লেও সে তুলনায় বেচাকেনা বাড়েনি। তাদের প্রত্যাশা- দিন যত গড়াবে বাড়তে থাকবে ক্রেতার সংখ্যা। বাড়বে বই বিক্রিও।স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে অনেকটা অবহেলা দেখা গেছে মেলায়। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার প্রতিদিন মেলা চলছে বাড়তি এক ঘণ্টা করে। অন্যবারের মতো দুপুর ৩টায় না হয়ে এবার মেলা শুরু হচ্ছে দুপুর ২টায়। আজ শুক্রবার ছুটি দিন হওয়ায় মেলা শুরু হয়েছে বেলা ১১টা থেকেই। প্রতিদিন মেলা খোলা থাকছে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বর্গফুট জায়গায় এবার বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় মোট ৩৫টি প্যাভিলিয়নসহ একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৪২টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৩৪টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।







