চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে তেলের চোরাই সিন্ডিকেট

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ডা. ওসামার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংবাদদাতা:- চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গর ও কর্ণফুলী নদীকেন্দ্রিক জ্বালানি ও ভোজ্যতেলের সিন্ডিকেটের চোরাচালান কোনওভাবেই থামানো যাচ্ছে না।

চক্রটি জাহাজের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বহির্নোঙ্গর থেকে অপরিশোধিত ক্রুড, সয়াবিন, পাম অয়েল, ডিজেল, ফার্নেস অয়েল ও ভোগ্যপণ্য অবৈধভাবে এনে খোলা বাজারে বিক্রি করছে।বুধবার গভীর রাতে পতেঙ্গা ১২ নম্বর ঘাট থেকে বিপুল অপরিশোধিত সয়াবিন তেলসহ ভাল্কহেড তানিশা এন্টারপ্রাইজকে আটক করেছে নৌ পুলিশ।

মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এসব অপরিশোধিত সয়াবিন ট্যাংকারে তোলার সময় ২টি ট্যাংকারসহ আটক করা হয় ৫ জনকে। অপরিশোধিত এসব তেল সয়াবিনের সাথে মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করে একটি চক্র। ভোজ্য তেলের চোরাই ব্যবসায়ী তানিশা এন্টারপ্রাইজের মালিক হারুণের নেতৃত্বে রয়েছে বিশাল সিন্ডিকেট।

প্রতিদিন কোটি টাকার অবৈধ তেলসহ বিভিন্ন পণ্য বহির্নোঙ্গরে মাদারভ্যাসেল থেকে লাইটারেজের পর মাঝ নদীতে খালাস করে সিন্ডিকেট সদস্যরা।পরে তা বাজারজাত করে। কিন্তু হারুণ এ বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেন।তিনি বলেন, ‘এটি মিথ্যে কথা যে আমি ভেন্ডরের ব্যবসা করি। আপনারা সরেজমিনে গিয়ে দেখলে এর প্রমাণ পেয়ে যাবেন।

গেল বছর প্রায় ১৩ হাজার লিটার অপরিশোধিত পাম অয়েলসহ হারুণের মালিকানাধীন ভাল্কহেড এফবি তানিশাকে আটক করে কোস্টগার্ড। শুধু ভোজ্য তেল নয়, রাষ্ট্রীয় তেলের ডিপো ঘিরে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে চলছে ক্রুড, কনডেনসেট, ফার্নেস অয়েল, ডিজেলসহ বিভিন্ন তেলের চোরাচালান বাণিজ্য।

এর ফলে সরকার হারাচ্ছে বিপুল রাজস্ব।এ বিষয়ে নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বি এম মিজানুর রহমান জানান, চক্রটি যখনই তেল পাইপ দিয়ে পাম্প করা শুরু করবে ঠিক তখনই আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের কে আটক করি।প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা, যমুনা থেকে বছরের পর বছর চোরাই পথে লোপাট হচ্ছে সরকারি তেল।