লিমা খাতুন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার // সয়াবিন তেলের সরবরাহ নেই রাজধানীর খুচরা বাজারে। দু-একটি দোকানে তেল থাকলেও বাধ্যতামুলক ভাবে নিতে হচ্ছে অন্য পণ্য।
কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে। বিক্রেতাদের অভিযোগ বারবার কোম্পানিগুলোর কাছে তেলের চাহিদা দিয়েও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না।
শর্তসাপেক্ষে সয়াবিন তেল কিনে ক্ষুদ্ধ ক্রেতারাও। নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে ভোজ্যতেলের বাজার। অসাধু সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে সয়াবিন ও পাম অয়েলের। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার কোনো কোনো বাজার থেকে রীতিমতো উধাও হয়ে গেছে খোলা সয়াবিন।
সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) যথারীতি গতকালও তাদের বাজারদরের প্রতিবেদনে রাজধানীর বাজারে খোলা সয়াবিন না পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে।
এ নিয়ে পরপর টানা তিন দিন টিসিবি তাদের প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরল। এছাড়া যে বোতলজাত সয়াবিন পাওয়া যাচ্ছে, তাও সরকারনির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশি। এ অবস্থায় রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েছেন ভোক্তারা। তাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এদিকে, ঈদের বাড়তি চাহিদায় বেড়েছে গরু ও মুরগির মাংসের দামও।
গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৮০/৭০০ আর কক মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে। বাজারে বেড়েছে দেশি পেঁয়াজসহ গাজর ও টমেটোর দামও। ঈদের আগে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকটসহ মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।







