স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

রবিউল ইসলাম ময়মনসিংহ ব্যুরো প্রধান// শেরপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী পারভীন বেগমকে (৩২) গলা কেটে হত্যার পর কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮)। আজ সোমবার ভোরে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের বয়ড়া পরানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ নিহত পারভীন বেগমের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে এবং স্বামী শফিকুল ইসলামকে পুলিশ হেফাজতে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, প্রায় ১০ বছর আগে সদর উপজেলার বয়ড়া পরানপুর গ্রামের সোহরাব আলীর মেয়ে পারভীন বেগমের সাথে হাওড়া আমতলা গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে মো. শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়।তাদের পরিবারে একটি কন্যা সন্তান ও ছেলে সন্তান রয়েছে।

গত কয়েক মাস আগে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী পারভীন স্বামীর বাড়ি ছেড়ে তার বাবার বাড়ি চলে যায়।

সম্প্রতি শেরপুর পৌর শহরের আল বারাকা প্রাইভেট হাসপাতালে পারভীন আয়ার কাজ শুরু করেন।এদিকে রবিবার রাতে শফিকুল তার শ্বশুর বাড়িতে আসেন। ভোররাতে ঘুমন্ত স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার পর নিজে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

সকালে তাদের কোন শব্দ না পেয়ে শ্বাশুড়ি জামেলা বেগম ঘরে উঁকি দিয়ে পারভীনের রক্তাক্ত লাশ মেঝেতে ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হওয়া অবস্থায় শফিকুলকে দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে বাড়ির অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসেন এবং সদর থানায় খবর দেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পারভীন বেগমের লাশ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে এবং এবং শফিকুল ইসলামকে আটক করে চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদলসহ অন্যান্যরা।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।