জীবিত ব্যক্তিকে মৃত হিসেবে শনাক্ত, পরে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন ।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি:- চেহারার মিল থাকায় জীবিত ব্যক্তিকে মৃত হিসেবে শনাক্ত করলেন স্বজনরা, পরে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন। গত মঙ্গলবার পিরোজপুর শহরে একটি নর্দমা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।

পরে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করেছিল সে পাগল  পিরোজপুর বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতো, ধারণা করা হয় রাতে কোনো এক সময় সে ড্রেনে পড়ে মারা যায়়। পরে মরদেহ উদ্ধারের পর দিনাজপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের হয়। এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মোঃ ফারুক হোসেন।  মামলা তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই পিরোজপুর সদর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের সোহেল নামে এক যুবক থানায় এসে মৃত ব্যক্তিকে তার চাচাত ভাই লাল মিয়া হিসেবে শনাক্ত করেন । পরে ময়না তদন্ত শেষে সোহেল তার সদস্যদের নিয়ে মৃতদেহটি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায় দাফন করার জন্য, কবর খোড়ার পাশাপাশি রাত ৯ টায় জানাযার দেওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যার পর বাড়িতে গিয়ে হাজির হন লাল মিয়া ।

বেওয়ারিশ লাশ

তখনই সদর থানা পুলিশকে জানালে পুলিশ পুনরায় মৃতদেহটি থানায় নিয়ে আসে, এরপর পিবিআই এর আওতায় হাতের ছাপ নিয়ে মৃতদেহটি পরিচয় শনাক্ত চেষ্টা চালায় পুলিশ। তবে তাকে শনাক্ত করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তির কোন জাতীয় পরিচয় পত্র হয় নাই। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি পুনরায় আজ বুধবার মৃতদেহটি ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যান সেখান থেকে আঞ্জুমান মফিদুল  মাধ্যমে রাষ্ট্রের দাফন সম্পন্ন করা হয় ।