Jashore , Thursday, 22 October 2026
সর্বশেষ:

হত্যা ও ধর্ষণ শিকার কিশোরী জীবিত বাড়ি ফিরল!

স্টাফ রিপোর্টার:- কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার স্বীকারোক্তিমূলক পর জীবিত বাড়ি ফিরল কিশোরী।

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ! মরদেহ ভাসিয়ে দেয়া হয় নদীতে। আদালতে এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে কারাগারে তিন আসামী। তবে, দেড় মাস পর ফিরলেন সেই কিশোরী ! আসামির পরিবার জানান রিমান্ডে মারধর করে জোর করে নেয়া হয়েছে জবানবন্দি। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবী করেন আসামিদের স্বজনরা। নারায়ণগঞ্জ শহরের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী গত ৪ ঠা জুলাই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর মেয়ের সন্ধান না পেয়ে একমাস পর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন, বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন। এ ঘটনার মায়ের মোবাইল ফোনে কল লিস্টে সূত্র ধরে তিনজন কে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে ওই তিন আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে আসামিরা কিশোরী দিশাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয় ! পুলিশ জোর করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নোট করেন।

তবে, এই মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির কারাভোগের জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন! আসামিদের পরিবার দাবি রিমান্ডে তিনজনকে মারধর করে জোর করে নেয়া হয়েছে ধর্ষণ ও হত্যার স্বীকারোক্তি । এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:31 pm, Monday, 24 August 2020
131 Time View

হত্যা ও ধর্ষণ শিকার কিশোরী জীবিত বাড়ি ফিরল!

Update Time : 09:31 pm, Monday, 24 August 2020

স্টাফ রিপোর্টার:- কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার স্বীকারোক্তিমূলক পর জীবিত বাড়ি ফিরল কিশোরী।

কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ! মরদেহ ভাসিয়ে দেয়া হয় নদীতে। আদালতে এমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে কারাগারে তিন আসামী। তবে, দেড় মাস পর ফিরলেন সেই কিশোরী ! আসামির পরিবার জানান রিমান্ডে মারধর করে জোর করে নেয়া হয়েছে জবানবন্দি। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবী করেন আসামিদের স্বজনরা। নারায়ণগঞ্জ শহরের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী গত ৪ ঠা জুলাই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর মেয়ের সন্ধান না পেয়ে একমাস পর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন, বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন। এ ঘটনার মায়ের মোবাইল ফোনে কল লিস্টে সূত্র ধরে তিনজন কে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে ওই তিন আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে আসামিরা কিশোরী দিশাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসিয়ে দেয় ! পুলিশ জোর করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নোট করেন।

তবে, এই মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামির কারাভোগের জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন! আসামিদের পরিবার দাবি রিমান্ডে তিনজনকে মারধর করে জোর করে নেয়া হয়েছে ধর্ষণ ও হত্যার স্বীকারোক্তি । এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তার গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।