ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি কর্মকর্তার আত্মহত্যা, মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আফসানা হক সাথী (৩৩) নামে এক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কীটনাশক ট্যাবলেট খেয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ নভেম্বর) মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত সাথী আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে। ২০১১ সালে একই জেলার বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আলী হায়দারের ছেলে ইমরান খান সবুজের সঙ্গে সাথীর বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

নিহতের বাবা ফজলুল হক জানান, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য একাধিকবার সাথীকে মারধর করে তার স্বামী। সবুজ অন্য নারীদের প্রতি আসক্ত ছিল। সব জেনেও সাথী সন্তানের কথা ভেবে সংসার করছিল। কয়েকদিন আগে আবারও পরকীয়ায় লিপ্ত হয় সে। এসব নিয়ে প্রায়শই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকতো। বুধবার তাদের আবারও ঝগড়া হয়। পরে রাতে সবার অজান্তে পোকা মারার ওষুধ খায় সাথী। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। মৃত্যুর কথা শুনে হাসপাতালে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় সবুজ।

সদর মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এমনটা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।