মানিক মিয়া ঢাকা:- রাজধানীর গুলশানে সুমন মিয়াকে (৩৫) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ হত্যার পেছনে মহাখালী এলাকার ‘সেভেন স্টার গ্রুপের’ সদস্যরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি তাদের।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে গুলশান ১–এর পুলিশ প্লাজার উত্তর পাশের সড়কে সুমন মিয়াকে গুলি করে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। ওই ঘটনায় সুমনের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার বাদী হয়ে আজ শুক্রবার (২১ মার্চ) গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
মামলায় বলা হয়েছে, সেভেন স্টার গ্রুপের রুবেল ও তাঁর সহযোগীরা এর আগে একাধিকবার সুমনের ইন্টারনেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন এবং তাঁকে মারধরও করেছিলেন। ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসার দ্বন্দ্বের জের ধরেই গতকাল রাতে সুমনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী।
মৌসুমী আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, মহাখালীর টিবি গেট এলাকায় ‘প্রিয়জন’ নামে সুমনের ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসা রয়েছে। তিনি মহাখালী এলাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ দিতেন। আর সেভেন স্টার গ্রুপের রুবেলও মহাখালীতে কেব্ল টিভি সংযোগ ও ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসা করতেন।
২০২০ সালে করোনার সময় রুবেলের সহযোগী জামাল, সেন্টু ও আফজাল মারধর করে সুমনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ সময় তাঁরা কয়েক লাখ টাকার ইন্টারনেট লাইনের তার নিয়ে যান।তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর সালোয়ার কামিজ তৈরির জন্য গুলশান ১–এর পুলিশ প্লাজার কাছে গিয়েছিলেন সুমন। সেখান থেকেই হয়তো তাঁকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. তারেক মাহমুদ বলেছেন, সুমন মিয়া হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।
রুবেল গ্রুপের সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবসার দ্বন্দ্ব ছাড়াও অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
এদিকে নিহত সুমনের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি ও মারামারির অভিযোগে গুলশান, বনানী ও বাড্ডা থানায় ছয়-সাতটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।







