স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
স্থান পরিবর্তন করে চৌগাছা মডেল মসজিদ নিমার্ণের দাবি জানিয়েছে কাঁচা মাল ব্যবসায়ীরা। আর যদি কাঁচা মাল হাটে মসজিদ নিমার্ণ করা হয় তাহলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছে ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা।
তাঁদের অভিযোগ, চৌগাছা কাঁচামাল হাটের মাঝখানে মসজিদটি নির্মিত হলে ১১০ জন আড়ৎ মালিকসহ প্রায় ২৫০ জন ব্যবসায়ী অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। শুধু তাই নয়; কাঁচা বাজারে সাথে জড়িত প্রায় হাজার মানুষ ব্যবসা করেন। তারাও বেকার হয়ে যাবে। ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে মসজিদটি অন্য স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন।
চৌগাছা কাঁচামাল হাটের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসে চৌগাছা পাইকারি কাঁচাবাজারের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে মডেল মসজিদ নির্মাণের জন্য যে জায়গা পরিমাপ করা হয়েছে, সেখানে তাঁদের ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ রয়েছে। এ ছাড়াও প্রায় ১৫০ জন সহযোগী ব্যবসায়ী এখানে ব্যবসা করেন। তাঁদের দাবি, প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৫ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা হয়েছে। এই স্থানে মসজিদ নির্মিত হলে প্রায় ২০০ পরিবার আর্থিকভাবে দুর্দশায় পড়বে এবং তাদের পথে বসতে হবে।
হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান লেন্টু জানান, তিনি ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকায় হাটের ইজারাদার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন এবং প্রায় তিন মাস ধরে ইজারা আদায় করছেন। তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসন কাঁচাবাজার মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে স্থান প্রস্তাব করেছে, কিন্তু সেখানে প্রায় ১১০টি কাঁচামালের আড়ৎ থাকায় এটি তাঁদের জন্য মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হবে। লেন্টু অভিযোগ করেন, একটি মহল ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে হাটের মাঝামাঝি জায়গায় মসজিদ স্থাপনের মাধ্যমে তাঁকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। এতে করে চৌগাছার সর্ববৃহৎ কাঁচাবাজার ধ্বংসের পায়তারা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ না দিলে এখানে মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে চৌগাছা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমিন জাহান বলেন, ২৯ জুন চৌগাছা মডেল মসজিদের অনুমোদন হয়েছে। তিনি ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতির বিষয়টি আলোচনা করে সমাধানের আশ্বাস দেন।







