স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
প্রথম ওয়ানডের সংক্ষিপ্ত স্কোর: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৯ ওভারে ১৩৩/১০, লক্ষ্য ২০৮ ( পিয়েরে ৭*; আথানেজ ২৭, কার্টি ৯, কিং ৪৪, রাদারফোর্ড ০, চেজ ৬, মোটি ৩, হোপ ১৫, রোমারিও ১, গ্রিভস ১২, সিলস ৩)
ফল: বাংলাদেশ ৭৪ রানে জয়ী
বাংলাদেশ ৪৯.৪ ওভারে ২০৭/১০ (তানভীর ৯*; সাইফ ৩, সৌম্য ৪, শান্ত ৩২, হৃদয় ৫১, মিরাজ ১৭, মাহিদুল ৪৬, নুরুল ৯, রিশাদ ২৬, তাসকিন ০, মোস্তাফিজ ১)
ওয়ানডেতে টানা ব্যর্থতার পর অবশেষে ঘরের মাঠে স্বস্তির জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে ৭৪ রানে।
অবশ্য স্বাগতিকরা শুরুতে যেভাবে ধীর গতির ব্যাটিংয়ে লো স্কোরিং টার্গেট দিয়েছিল। তাতে জয়ের সম্ভাবনা বলা চলে সেভাবে ছিল না। নাটকীয়ভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। বাংলাদেশের প্রথম ডানহাতি স্পিনার হিসেবে ওয়ানডেতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। তার ঘূর্ণিতেই এলোমেলো হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৯ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৩৩ রানে। ব্যাট হাতে তার ১৩ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংসেও শুরুতে স্কোর দুইশ ছাড়াতে ভূমিকা রাখে। তাই অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরাও রিশাদ।
২০৮ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা সম্ভাবনাময় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও আলিক আথানেজ গড়েন ৫১ রানের জুটি। সেই সময়ে ম্যাচের চিত্রটা বাংলাদেশের জন্য তেমন আশাব্যঞ্জক ছিল না। কিন্তু রিশাদ তার প্রথম ওভার বল করতে এলেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। ২৩ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার উইন্ডিজের ব্যাটিং লাইনআপ একাই গুঁড়িয়ে দেন। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৭৯ রানে ২ উইকেট থেকে ২৪ ওভারেই অতিথিরা ৯২ হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। ৩৯তম ওভারে সিলসকে ফিরিয়ে তুলে নেন নিজের ষষ্ঠ উইকেট। বাংলাদেশের কোনও স্পিনারের ওয়ানডেতে ৬ উইকেট নেওয়ার নজির এটাই প্রথম।
এর আগে, ম্যাচের ১২তম ওভারে রিশাদই এনে দেন বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য। ওপেনার আথানেজ ৩৬ বলে ২৭ রান করার পর এলবিডাব্লিউ হন রিশাদের বলেই। তাতে ভাঙে ৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি। ৭৯ রানেও দ্বিতীয় সাফল্য আসে তার বোলিংয়ে।
অথচ পাওয়ারপ্লেতে বাংলাদেশের বোলাররা কোনও উইকেট নিতে পারেননি। তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোনও ঝামেলা ছাড়াই তুলে ফেলেছিল ৪৫ রান!
রিশাদ ৯ ওভারে ৩৫ রানে নেন ৬ উইকেট। ১৬ রানে দুটি নেন মোস্তাফিজুর রহমান। একটি করে নেন তানভীর ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
গ্রিভসের বিদায়ে পড়লো নবম উইকেট, জয়ের কাছে বাংলাদেশ
৩৬.২ ওভারে আবার আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। এবার ১২ রানে ক্যাচ তুলে ফেরেন জাস্টিন গ্রিভস।
পড়লো ক্যারিবিয়ানদের অষ্টম উইকেট
উইকেট পতনের মিছিলে ৩৪.১ ওভারে যোগ দেন রোমারিও শেফার্ডও। মোস্তাফিজের প্রথম বলেই ১ রানে ক্যাচ তুলে বিদায় নেন তিনি।
তানভীরের আঘাতে সাজঘরে হোপ
৬ উইকেট পতনের পর প্রান্ত আগলে শেষ ভরসা হওয়ার চেষ্টায় ছিলেন অধিনায়ক শাই হোপ। ৩৩.১ ওভারে সেই হোপকেও গ্লাভসবন্দি করিয়েছেন তানভীর ইসলাম। হোপ ৩২ বলে বিদায় নেন ১৫ রানে। ক্যারিবিয়ানরা সপ্তম উইকেট হারায় ১১৮ রানে।
মিরাজের ঘূর্ণিতে পড়লো ষষ্ঠ উইকেট
রিশাদের ঘূর্ণিতে এলোমেলো হয়ে পড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ ষষ্ঠ উইকেট হারাতেও বেশি সময় নেয়নি। দলের শতরানে মিরাজের বলে লেগ বিফোরে ফেরেন গুডাকেশ মোটি।
রিশাদের ঘূর্ণিতে এলোমেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ
দারুণ শুরুর পরেও এক রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে এলোমেলো হয়ে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তার পঞ্চম শিকারে পরিণত হয়েছেন রোস্টন চেজ (৬)। ৯২ রানে গ্লাভসবন্দি হয়ে ফিরেছেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটার। রিভিউ নিয়েও লাভ হয়নি। রিশাদ ওয়ানডেতে প্রথমবার ৫ উইকেট শিকারের নজির গড়েছেন।
এক রিশাদের আঘাতেই বিপদে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শুরু থেকে প্রান্ত আগলে খেলছিলেন ব্র্যান্ডন কিং। বাংলাদেশের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ান তিনি। কার্টিকে সাজঘরে পাঠিয়ে এক ওভার পর আবারও আঘাত হানেন রিশাদ হোসেন। এবার শিকার করেন বিপজ্জনক কিংয়ের উইকেট। ২১.১ ওভারে রিশাদের বলে ব্যাটের কানায় লেগে বল জমা পড়ে নুরুল হাসানের গ্লাভসে। কিং ৬০ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৪৪ রানে ফিরেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তৃতীয় উইকেট হারায় ৮২ রানে। এটি ছিল রিশাদের তৃতীয় উইকেট। দুই বল পর নতুন নামা শেরফানে রাদারফোর্ডকেও দুর্দান্ত ঘূর্ণিতে গ্লাভসবন্দি করে তুলে নেন চতুর্থ উইকেট। তাতে মুহূর্তেই বিপদে পড়ে সফরকারী দল। বিপরীতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় বাংলাদেশ।
রিশাদের দ্বিতীয় শিকার কার্টি
৫১ রানে শুরুর জুটি ভেঙে সাফল্য এনে দেন রিশাদ হোসেন। তার পর ২৮ রান যোগ করেন ক্যাসি কার্টি ও ব্র্যান্ডন কিং। ৭৯ রানে আবার আঘাত হেনেছেন রিশাদ। ১৯.৫ ওভারে অফ স্টাম্পের বাইরের বল দিয়ে প্রলুব্ধ করে ক্যাসি কার্টিকে স্লিপে ক্যাচ বানিয়েছেন তিনি। কার্টি আউট হন ৯ রানে।
আক্রমণে এসেই শুরুর জুটি ভাঙলেন রিশাদ
শুরুর দিকে সতর্ক থাকলেও বাংলাদেশকে হতাশ করে চলছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনিং জুটি। ১২তম ওভারে শুরুর জুটিতেই পঞ্চাশ রান ছাড়ায় তারা। একই ওভারে আক্রমণে এসে শেষ ডেলিভারিতে এই জুটি ভেঙে স্বস্তি ফেরান রিশাদ হোসেন। তার বলে এলবিডাব্লিউতে ফিরেছেন ওপেনার আলিক আথানেজ। ক্যারিবিয়ান ওপেনার ৩৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ২৭।
২০৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ
মিরপুরে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে বাংলাদেশকে শুরুতে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাদের ২০৭ রানেই বেঁধে ফেলেছে ক্যারিবিয়ানরা। বাংলাদেশ ৪৯.৪ ওভারে ২০৭ রানে গুটিয়ে গেছে। শেষ ৫ ওভারেই বাংলাদেশ হারায় ৫ উইকেট।
বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরু থেকেই রান রেটের লাগাম ধরে রাখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফলে বাংলাদেশের ব্যাটাররা বেশিরভাগ সময়ই খোলামেলাভাবে খেলতে পারেননি। ৮ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ইনিংস সামাল দেন তাওহীদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৭১ রানের জুটি গড়েন তারা। যদিও শান্তর ব্যাট থেকে আসে তুলনামূলক ধীর গতির ৩২ রানের ইনিংস। তার বিদায়ের পর হৃদয় ও মাহিদুল গড়েন আরও ৯৭ রানের জুটি। হৃদয়ের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫১ রান। তার পর অভিষিক্ত মাহিদুলের ব্যাট থেকে আসে ৪৬। শেষ দিকে রিশাদের ১৩ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস দলকে ২০০ রানের ঘর পার করতে সহায়তা করে।
শেষ ওভারের দিকে জেইডেন সিলস দুর্দান্ত বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু উইকেট তুলে নেন। শেফার্ড ছিলেন যথেষ্ট কৃপণ। বোলারদের মধ্যে পিয়ের ছিলেন সেরা। তার ১০ ওভারের স্পেল থেকে মাত্র ১৯ রান খরচায় ১ উইকেট আসে, যা ইনিংসের মাঝপথে বাংলাদেশের রানের গতি কমিয়ে দেয়।
উইকেটের টার্ন ও বোলারদের সহায়তা বিবেচনায় এই রান তাড়া করা সহজ হবে না।
ক্যারিবিয়ানদের হয়ে ৪৮ রানে মোট ৩ উইকেট নেন জেইডেন সিলস। দুটি করে নেন রোস্টন চেজ ও জাস্টিন গ্রিভস। একটি করে নিয়েছেন রোমারিও শেফার্ড ও খ্যারি পিয়েরে।
ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকা রিশাদকে ফেরালেন সিলস
শেষ দিকে ঝড় তুলে বাংলাদেশের স্কোর দুইশর কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন রিশাদ হোসেন। ১৩ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২৬ রান করা এই ব্যাটারকে বোল্ড করেছেন জেইডেন সিলস। তাতে ১৯৮ রানে বাংলাদেশ হারায় অষ্টম উইকেট। পরের বলে নতুন ব্যাটার তাসকিনকেও তালুবন্দি করান তিনি। তাতে পড়ে নবম উইকেটও।
নুরুল হাসানের বিদায়ে পড়লো সপ্তম উইকেট
শেষ দিকে এসে শুরু হয়েছে উইকেটের মিছিল। রান বাড়াতে নুরুল হাসান ৯ রানে ক্যাচ তুলে ফিরেছেন। তাতে ১৮২ রানে পড়েছে বাংলাদেশের সপ্তম উইকেট।
৪৬ রানে ফিরলেন অভিষিক্ত মাহিদুল
প্রান্ত আগলে খেলছিলেন অভিষিক্ত মাহিদুল ইসলাম। মিরাজের আউটের পর তিনিও বেশিক্ষণ টেকেননি। ৭৬ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে ফিরেছেন। চেজের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়েছেন মাহিদুল। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার। বাংলাদেশ ষষ্ঠ উইকেট হারায় ১৬৫ রানে।
১৭ রানে মিরাজের বিদায়
সর্বশেষ দুই ওয়ানডেতে ত্রিশ ওভারও টেকেনি বাংলাদেশ। এবার অবশ্য ধীর গতির ব্যাটিংয়ে সেই লক্ষ্যে খেলেছে টাইগাররা। তাতে অবশ্য প্রত্যাশিত রান জমা হয়নি স্কোরবোর্ডে। হৃদয়ের পর জুটি গড়ে খেলছিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও মাহিদুল ইসলাম। ৪৩ রান যোগ করেন তারা। কিন্তু রান যথেষ্ট না হওয়ায় ৪৩.৫ ওভারে মেরে খেলতে গিয়ে মাত্র ১৭ রানে ফিরেছেন মিরাজ। চেজের বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ২৭ বলে ২ চারে থামেন তিনি। তাতে ১৫৮ রানে বাংলাদেশ হারায় পঞ্চম উইকেট।
১১তম ফিফটির পরই আউট হৃদয়
শান্ত টিকতে না পারলেও ধীর গতির ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। ৮৭ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটি। অভিষিক্ত মাহিদুলকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৩৬ রানের জুটি গড়েছিলেন। যদিও অর্ধশতক পূরণের পরই দলের ১১৫ রানে কাটা পড়েন তিনি। তাকে গ্লাভসবন্দি করান জাস্টিন গ্রিভস।
হৃদয় ৫১ রানে কিপারের হাতে ক্যাচ দেওয়ার পর অবশ্য ক্যারিবিয়ানদের আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দেননি। রিভিউ নেওয়ার পর দেখা গেছে বল ব্যাটের কানায় লেগেছে। হৃদয়ের ৯০ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার।
শান্তর বিদায়ে ভাঙলো ৭১ রানের জুটি
৩ বলে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর শুরুর ধাক্কা ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়। ধীর গতির ব্যাটিংয়ে জুটি গড়েন তারা। ২২.১ ওভারে ৭১ রানের সেই জুটি ভেঙেছে শান্তর বিদায়ে। খ্যারি পিয়েরের বলে ৩২ রানে এলবিডাব্লিউ হন শান্ত। শুরুতে অবশ্য আম্পায়ার আউট দেননি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ রিভিউ নিয়ে সাফল্য পেয়েছে।শান্তর ৬৩ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায় ৭৯ রানে।
ধীর গতির ব্যাটিংয়ে শান্ত-হৃদয়ের পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি
৮ রানে দুই উইকেট হারানোর পর ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তাওহীদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। যদিও ধীর গতির ব্যাটিংকে কৌশল হিসেবে নেন তারা। ১৭তম ওভারে ছাড়ায় দলীয় পঞ্চাশ। আর তাদের জুটি পঞ্চাশ পূরণ করে ৯৩ বলে।
৩ বলে সাজঘরে দুই ওপেনার
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ। ১.৫ ওভারে রোমারিও শেফার্ডের বলে এলবিডাব্লিউ হয়েছেন ওপেনার সাইফ হাসান (৩)। পরের ওভারের প্রথম বলে জেইডেন সিলসের শিকার হন আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারও। সৌম্য আজ একাদশে সুযোগ পেয়েও প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে ৬ বলে ৪ রানে চেজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার।
ভিসা জটিলতায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে থাকলেও খেলা হয়নি সৌম্যর। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে নাঈম শেখের বদলি হয়ে দলভুক্ত হয়েছেন তিনি।
টস হেরেছে বাংলাদেশ, মাহিদুলের অভিষেক
সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডেতে ভীষণ ব্যর্থ বাংলাদেশ। এবার ছন্দে ফেরার লক্ষ্যে আজ মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে খেলতে নামছে তারা। দুপুরের ম্যাচে অবশ্য টস ভাগ্য সহায় হয়নি। শুরুতে টস জিতে বোলিং নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে টস হেরেও অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, শুরুতে ব্যাটিং নিতেন তারা।
গত বছরের নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ পরপর চারটি ওয়ানডে সিরিজে হেরেছে। এই সময়ের মধ্যে ১৪ ম্যাচের মধ্যে জিততে পেরেছে মাত্র দুইটি। তবে আশার কথা, ওই চারটি সিরিজের সবকটিই ছিল বিদেশের মাটিতে। ঘরের মাঠে নিজেদের শেষ ওয়ানডে সিরিজে ২০২৪ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।
এছাড়া ক্যারিবিয়ানদের নিয়ে আছে সুখস্মৃতি। সর্বশেষ ২০২১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশ সফরে এসেছিল। সেবার টাইগাররা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তাদের হোয়াইটওয়াশ করেছিল।
একাদশে কারা
বাংলাদেশ আজ দুই ফাস্ট বোলার, তিনজন স্পিনার ও সাত ব্যাটার নিয়ে খেলতে নামছে। অভিষেক হচ্ছে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ আবার তিন পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে খেলতে নামছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: ব্র্যান্ডন কিং, আলিক আথানেজ, কেসি কার্টি, শাই হোপ (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), শেরফানে রাদারফোর্ড, , জাস্টিন গ্রিভস, রোস্টন চেজ, রোমারিও শেফার্ড, গুডাকেশ মোটি, খ্যারি পিয়েরে ও জেইডেন সিলস।







