স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে যশোরসহ সারা বাংলাদেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের মধ্যে কর্ম বিরতি পালন হয়েছে ।
দ্বিতীয় দিনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৫০ শয্য বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
এ সময় হাসপাতালের পরীক্ষা নিরীক্ষা ও ওষুধ সহ সমস্ত কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ থাকে। যার ফলে দুর-দুরন্ত থেকে আশা রোগীদেরও পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে ।
দেখা যায়, ফার্মেসিরঔষধ, প্যাথলজি, হরমোন, ব্লাড ব্যাংক, এক্সরে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, ডেন্টাল, ফিজিওথেরাপি ও ক্যান্সার রোগীদের কেমোথেরাপী সেবা বন্ধ রাখা । এমন অবস্থায় রোগীদের ভিড় জমে উঠেছে ফার্মেসীর, প্যাথলজি এবং ব্লাড ব্যাংকের সহ সমস্ত রিপোর্ট কেন্দ্রের সামনে । যার ফলে রোগ নির্ণয়ের সেবা সমূহ অচল অবস্থা হয়ে পড়ে।
যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন,
আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে পূর্ণ দিবস কমপ্লিট শাটডাউন কর্ম বিরতি এবং এরপর লাগাতার কর্ম বিরতির করা হবে। বাংলাদেশের সকল ডিপ্লোমাধারী পেশাজীবীদের ২-৩ দশক পূর্বে দশম গ্রেড বাস্তবায়ন হলেও বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে ১০ গ্রেড বাস্তবায়নের জন্য সকল কাগজপত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থাকলেও কোন ফল পাচ্ছি না আমরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরাম (এমটিএফ) এর সভাপতি হাসানুজ্জামান, ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি ফার্মাসিস্ট জহুরুল ইসলাম, হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ইনচার্জ মৃত্যুঞ্জয় রায়, ফার্মাসিস্ট রাজু আহম্মেদ, প্যাথলজি ল্যাব ইনচার্জ পারভেজ হোসেন, সালাহ্উদ্দিন সেলিম ও ব্লাড ব্যাংক ইনচার্জ চঞ্চল প্রমুখ।







