স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
দুদিন ধরে যশোর অঞ্চলে সূর্যের দেখা মেলেনি। আকাশ ছিল দিনভর ঘন মেঘ ও কুয়াশার চাদরে ঢাকা। দিনের আলোও ছিল ক্ষীণ, যার ফলে ঠাণ্ডার তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক পথে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সকাল এবং সন্ধ্যার পরে দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ায় চালকদের হেডলাইট জ্বালিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। এতে যশোর-খুলনা ও যশোর-ঢাকা মহাসড়কে দূরপাল্লার যান চলাচলে গতি কমে এসেছে। স্থানীয় রিকশা ও ইজিবাইক চালকরাও কুয়াশার কারণে সমস্যায় পড়ছেন।
টানা দুই দিন সূর্যের অনুপস্থিতি এবং ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা বহুগুণে বেড়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। উষ্ণতার অভাবে কাজের সন্ধানে বের হতে তাদের বেগ পেতে হচ্ছে। শহরের ফুটপাতে থাকা ছিন্নমূল মানুষজন কাঠখড় জ্বালিয়ে উষ্ণতা খোঁজার চেষ্টা করছেন। শীতবস্ত্রের অভাবে শীতার্ত মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যের আলো না পাওয়ায় কৃষকরা তাদের রবিশস্য, বিশেষ করে বোরো ধানের চারা ও শীতকালীন সবজি নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন। যদিও কুয়াশা অনেক ফসলের জন্য উপকারী। তবে এভাবে টানা সূর্য না উঠলে ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠাণ্ডা বাতাসের কারণে এই অঞ্চলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং আগামী কয়েকদিন এই অবস্থা বজায় থাকতে পারে।







