স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
যশোরের কেশবপুরে ফেসবুকে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে ডেকে নিয়ে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির তিন নেতার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী নেতা এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগকারী মিন্টু রহমান জিকো (৩৬) কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, কেশবপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদের একটি কর্মকাণ্ড নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। এরই জেরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তাকে মেসেঞ্জারে কল করে বাজারে দেখা করতে বলা হয়।
পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পুনরায় ফোনে কথা হলে তাকে কেশবপুর বাজারের গাজীর মোড়ে আসতে বলা হয়। দুপুর ১টার দিকে জিকো সেখানে পৌঁছালে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম সহিদ, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মতিন গাজী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন হোসেন তার ওপর চড়াও হন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা জিকোর জামার কলার ধরে টেনে হিঁচড়ে কৃষি ব্যাংকের পাশের একটি চায়ের দোকানে নিয়ে যান। সেখানে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। জিকোর দাবি, মারধরের একপর্যায়ে তার কাছে থাকা নগদ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সময় স্থানীয় বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি জানান।
ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় থাকা এই স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিচার চেয়ে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
