নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাঁকা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্য জিরু কাজী ও দুই নারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা গ্রামে জিরু কাজী ও আক্তার মোল্যা গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে যাদের নাম জানা গেছে তারা হলেন, জিরু কাজী, লুৎফুন্নাহার, রেখা বেগম, সেলিম বিশ্বাস, হেমায়েত হোসেন, আনোয়ার, আক্তার মোল্যা, লিটন, ফিরোজ, শরিফুল, হাসান মোল্যা, কাদের ও মিরাজ মোল্যা।
আহতদের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাঁকা গ্রামের জিরু কাজী গ্রুপের সঙ্গে একই গ্রামের আক্তার হোসেন গ্রুপের দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতাকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে একটি স্যালো মেশিনের পাম্প চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলে মসজিদের ভেতরে গিয়ে জিরু কাজীর লোকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এর জের ধরে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুই গ্রুপের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদা, ইটপাটকেল ও লাঠিসোটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে জিরু কাজীর পক্ষের লোকজন বেশি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে সংঘর্ষের সময় বাঁকা গ্রামের সড়ক দিয়ে ভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় আমাদা গ্রামের তবিবর মৃধাকে আক্তার মোল্যার লোকজন কোনো কারণ ছাড়াই মারধর করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান জানান, এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।
