Jashore , Thursday, 22 October 2026
সর্বশেষ:

শার্শায় স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত গ্রামীণ খেলাধুলায় পুরস্কার বিতরণ

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলার ৯নং উলাশী ইউনিয়নের কন্যাদহ গ্রামে তিনদিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার খেলাধুলার আয়োজন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর এ ধরনের আয়োজন ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ শহিদুল ইসলাম শহীদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা বিভিন্ন খেলাধুলা ও ‘যেমন খুশি তেমন সাজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয়সহ আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (২৮ মার্চ ) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কন্যাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার পুনর্জাগরণ। ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি লাঠিখেলা, হাডুডু, দড়ি টানাটানি, সাঁতার প্রতিযোগিতা ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী অংশ নেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও দেশপ্রেম জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা আলহাজ শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, দীর্ঘদিন পর আমাদের গ্রামে আবারও আনন্দ ফিরে এসেছে। তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের মধ্যে রাখা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম পিন্টু, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হজরত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

আধুনিকতার প্রভাবে বিলুপ্তির পথে থাকা গ্রামীণ খেলাধুলা পুনরুজ্জীবনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং এতে তরুণ সমাজ ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 06:07 pm, Sunday, 29 March 2026
80 Time View

শার্শায় স্বাধীনতা দিবসে আয়োজিত গ্রামীণ খেলাধুলায় পুরস্কার বিতরণ

Update Time : 06:07 pm, Sunday, 29 March 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলার ৯নং উলাশী ইউনিয়নের কন্যাদহ গ্রামে তিনদিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার খেলাধুলার আয়োজন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর এ ধরনের আয়োজন ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ শহিদুল ইসলাম শহীদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা বিভিন্ন খেলাধুলা ও ‘যেমন খুশি তেমন সাজ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয়সহ আশপাশের বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (২৮ মার্চ ) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কন্যাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার পুনর্জাগরণ। ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি লাঠিখেলা, হাডুডু, দড়ি টানাটানি, সাঁতার প্রতিযোগিতা ও ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী অংশ নেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। খেলাধুলা শৃঙ্খলা, সৌহার্দ্য ও দেশপ্রেম জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা আলহাজ শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, দীর্ঘদিন পর আমাদের গ্রামে আবারও আনন্দ ফিরে এসেছে। তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ বিনোদনের মধ্যে রাখা এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, উপজেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শহীদ আলী, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম পিন্টু, ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হজরত আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাবসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।

আধুনিকতার প্রভাবে বিলুপ্তির পথে থাকা গ্রামীণ খেলাধুলা পুনরুজ্জীবনে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং এতে তরুণ সমাজ ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হচ্ছে।