যশোর সীমান্তে দেশের সর্বোচ্চ ১৩০ ফুট পতাকাস্তম্ভ
স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
দেশের প্রধান স্থলবন্দর যশোরের বেনাপোলর শূন্যরেখায় নির্মিত হয়েছে দেশের সর্বোচ্চ ১৩০ ফুট উচ্চতার সুউচ্চ পতাকাস্তম্ভ (ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড)। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সীমান্তের আকাশে এখন থেকে সবচেয়ে উঁচুতে উড়বে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা, যা দেশপ্রেম ও জাতীয় মর্যাদার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে বেনাপোল জিরো পয়েন্টে দক্ষ কারিগরদের নিপুণতায় এই বিশাল মাস্তুলটি দৃশ্যমান হয়। এ সময় উৎসুক জনতার ভিড়ে সীমান্ত এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বেনাপোল পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন ঠিকাদার ও স্থানীয় বিএনপি নেতা ইসাহক মিয়া। তিনি জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, “ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ১০০ ফুট উঁচুতে তাদের পতাকা উড়ছে। আমাদের সীমান্তেও একটি বড় প্রতীকী স্থাপনার প্রয়োজন ছিল। তরুণ প্রজন্মের দাবি ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।”
উল্লেখ্য, এর আগে দেশের সর্বোচ্চ পতাকাস্তম্ভ ছিল বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এলাকায়, যার উচ্চতা ছিল ১১৭ ফুট। বেনাপোলের নতুন ১৩০ ফুট উচ্চতার মাস্তুলটি সেই রেকর্ড ভেঙে দেশের সর্বোচ্চ পতাকাস্তম্ভ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে ২০১৭ সালে সীমান্তরক্ষী বাহিনী ১০০ ফুট উচ্চতার একটি ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড নির্মাণ করে, যা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হিসেবে রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এই সুউচ্চ পতাকাস্তম্ভ বেনাপোল দিয়ে যাতায়াতকারী দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীদের কাছে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে বিশেষভাবে নজর কাড়বে। পাশাপাশি এটি সীমান্ত এলাকায় দেশপ্রেমের নতুন এক জাগরণ সৃষ্টি করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

























