স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অধিকার বঞ্চনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে নিজের এবং দুই কন্যাসন্তানের অধিকার বঞ্চনার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা লাবনী আক্তার।
রোববার দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও একটি অনলাইন পোর্টালে তাকে ‘পুরুষ নির্যাতনকারী’ হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন।
লাবনী আক্তার জানান, ২০১৮ সালে যশোর শহরের আরএন রোড এলাকার বাসিন্দা জিতুর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে তার স্বামী তার অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে দুই সন্তানসহ বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় তিনি তালাকের নোটিশ পান। পরবর্তীতে দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হলেও তিনি ও তার সন্তানরা ভরণপোষণসহ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।
দোকান লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে লাবনী আক্তার বলেন, একটি দোকান তিনি নিজস্ব অর্থে ক্রয় করেছেন এবং অন্য একটি দোকানে বিনিয়োগের মাধ্যমে অংশীদার হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জোরজবরদস্তি করা হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, সংসারের আসবাবপত্র ও ফার্নিচার বর্তমানে তার স্বামীর বাসায় থাকলেও সেগুলো তাকে নিতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন। বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে উভয় পক্ষের ডোপ টেস্টেরও দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি ভবিষ্যতে উভয় পক্ষের বক্তব্য নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানান।

























