Jashore , Thursday, 22 October 2026
সর্বশেষ:

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং আগামীতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার পারস্পরিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও প্রবাসীদের সংযোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরালো করা এবং বাংলাদেশের বিমান পরিবহন (অ্যাভিয়েশন) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। শিক্ষা, নিরাপদ অভিবাসন ও গতিশীলতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা ও সমর্থনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা তুলে ধরে ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানান। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আশ্বস্ত করেন যে, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে এবং বিষয়টিকে বিশ্ব দরবারে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখবে।

পরিশেষে, উভয় পক্ষই কৌশলগত, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গতিশীল ও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:14 pm, Sunday, 30 August 2026
41 Time View

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Update Time : 08:14 pm, Sunday, 30 August 2026

স্বাধীন কন্ঠ ডেস্ক
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রবিবার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং আগামীতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার পারস্পরিক অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও প্রবাসীদের সংযোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরালো করা এবং বাংলাদেশের বিমান পরিবহন (অ্যাভিয়েশন) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। শিক্ষা, নিরাপদ অভিবাসন ও গতিশীলতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা ও সমর্থনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা তুলে ধরে ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানান। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আশ্বস্ত করেন যে, যুক্তরাজ্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন অব্যাহত রাখবে এবং বিষয়টিকে বিশ্ব দরবারে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখবে।

পরিশেষে, উভয় পক্ষই কৌশলগত, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গতিশীল ও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।