বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগে এক তরফা সংবাদ সম্মেলনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ১২ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বি.এম. এলোম হোসেন রানা। শনিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এলোম হোসেন রানা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের সূচনা থেকেই স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বায়নাপত্রের সাক্ষীদের উপস্থিতিতে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক আয়োজন করে বিষয়টি সুষ্ঠু মীমাংসার চেষ্টা চালানো হয়। তবে সালিশে সমাধান হওয়ার পরও অভিযুক্ত সুজন পুনরায় নতুন করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে কৃত্রিম বিরোধ তৈরি করেন।
বিএনপি নেতা রানা অভিযোগ করে বলেন, কতিপয় প্রকৃত অংশীদারকে তাদের প্রাপ্য বসতভিটা ও জমি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত চলছে। একই সাথে বণ্টন সম্পন্ন না হওয়া সত্ত্বেও জমি অন্যায়ভাবে অন্যদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি সালিশ বৈঠকে উপস্থিত হয়ে সীমানা নির্ধারণ কাজ আপাতত বন্ধ রাখার অনুরোধ জানান এবং সুজনকে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে এই বিরোধ আইনগত জটিলতায় রূপ নেয় এবং আদালত সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করে। ১৪৪ ধারা অমান্য করে জোরপূর্বক জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে বিধবা হনুফা বেগম ও তার সন্তানদের ওপর চড়াও হয় সুজন ও তার সঙ্গীরা, যার একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
সংবাদ সম্মেলনে এলোম হোসেন রানা বলেন, প্রকৃত সত্য আড়াল করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার করা হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থার জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ হোসেন আলী, আলী আকবর, আলমগীর হোসেন, মিলন হোসেন, রুবেল হোসেন, রায়হান হোসেন, গোলাম নবী ও ভুক্তভোগী হনুফা বেগম।

























