Jashore , Wednesday, 21 October 2026
সর্বশেষ:

তিন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোর্ট কর্তৃক পূর্বে মীমাংসিত ও খারিজ হয়ে যাওয়া পুরোনো বিষয় নিয়ে পুনরায় মিথ্যা মামলা, সংবাদ সম্মেলন ও চাঁদা দাবির মাধ্যমে সামাজিক মানহানির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের হলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। ঝিকরগাছা উপজেলার বারবাকপুর স্কুলপাড়ার বাসিন্দা ও বর্তমানে যশোর শহরের ঝুট ও সাব-কন্ট্রাক্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন এই লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, ঝিকরগাছা এলাকার তিন ব্যক্তি—কৃষ্ণনগর গ্রামের ওবায়দুর রহমান, শার্শার বাগআঁচড়ার কবিরুল ইসলাম এবং সিওড়দা গ্রামের আব্দুল করিম গং দীর্ঘ দিন ধরে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না পেয়ে ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এই চক্রটি। যার মধ্যে কবিরুল ইসলামের জিআর মামলা নং ৭৭/২০০৫ (ফৌজদারি আপিল নং ৬৩/২০১৭), আব্দুল করিমের সিআর মামলা নং ৪০৩/২০২১ এবং ওবায়দুর রহমানের সিআর মামলা নং ৪৮৩/০৭। পরবর্তীতে আইনি লড়াই শেষে আদালত সবকটি মামলা খারিজ করে তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ খালাস দেন।

আনোয়ার হোসেন বলেন, আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া ঘটনাকে ১০ বছর পর নতুন করে সাজিয়ে ওই চক্রটি আমার কাছে ৩৫ লাখ টাকা পাবে বলে গত ১ জুলাই ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে। শুধু তাই নয়, নতুন করে চাঁদাবাজির কৌশল হিসেবে চলতি বছরের জুন মাসে আমার বিরুদ্ধে আদালতে ফের দুটি সাজানো মামলা ঠুকে দেওয়া হয়েছে (সিআর মামলা নং ৪৫৯/২৬)। পূর্বের মামলায় আব্দুল করিম ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাওয়ার দাবি করলেও এবারের নতুন মামলায় ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা দাবি করেছে, যা তাদের মিথ্যাচারের বড় প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, তিনি বিগত প্রায় দু’যুগ ধরে যশোর শহরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং আদম ব্যবসার সাথে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কোনো প্রভাবশালী মহল বা শত্রুপক্ষের প্ররোচনায় পড়ে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এসব করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের জন্য তিনি যশোর জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার হোসেনের ভাই শহিদ আলম জনি ও নূর ইসলাম, প্রতিবেশী মাহাফুজ খান, ভাগ্নে নূর নবী এবং মোঃ জিয়া সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 08:32 pm, Tuesday, 15 September 2026
38 Time View

তিন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : 08:32 pm, Tuesday, 15 September 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোর্ট কর্তৃক পূর্বে মীমাংসিত ও খারিজ হয়ে যাওয়া পুরোনো বিষয় নিয়ে পুনরায় মিথ্যা মামলা, সংবাদ সম্মেলন ও চাঁদা দাবির মাধ্যমে সামাজিক মানহানির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন।

মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরের হলরুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। ঝিকরগাছা উপজেলার বারবাকপুর স্কুলপাড়ার বাসিন্দা ও বর্তমানে যশোর শহরের ঝুট ও সাব-কন্ট্রাক্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন এই লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, ঝিকরগাছা এলাকার তিন ব্যক্তি—কৃষ্ণনগর গ্রামের ওবায়দুর রহমান, শার্শার বাগআঁচড়ার কবিরুল ইসলাম এবং সিওড়দা গ্রামের আব্দুল করিম গং দীর্ঘ দিন ধরে তাঁর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না পেয়ে ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে এই চক্রটি। যার মধ্যে কবিরুল ইসলামের জিআর মামলা নং ৭৭/২০০৫ (ফৌজদারি আপিল নং ৬৩/২০১৭), আব্দুল করিমের সিআর মামলা নং ৪০৩/২০২১ এবং ওবায়দুর রহমানের সিআর মামলা নং ৪৮৩/০৭। পরবর্তীতে আইনি লড়াই শেষে আদালত সবকটি মামলা খারিজ করে তাঁকে সম্পূর্ণ নির্দোষ খালাস দেন।

আনোয়ার হোসেন বলেন, আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়া ঘটনাকে ১০ বছর পর নতুন করে সাজিয়ে ওই চক্রটি আমার কাছে ৩৫ লাখ টাকা পাবে বলে গত ১ জুলাই ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে। শুধু তাই নয়, নতুন করে চাঁদাবাজির কৌশল হিসেবে চলতি বছরের জুন মাসে আমার বিরুদ্ধে আদালতে ফের দুটি সাজানো মামলা ঠুকে দেওয়া হয়েছে (সিআর মামলা নং ৪৫৯/২৬)। পূর্বের মামলায় আব্দুল করিম ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাওয়ার দাবি করলেও এবারের নতুন মামলায় ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা দাবি করেছে, যা তাদের মিথ্যাচারের বড় প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, তিনি বিগত প্রায় দু’যুগ ধরে যশোর শহরে সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং আদম ব্যবসার সাথে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কোনো প্রভাবশালী মহল বা শত্রুপক্ষের প্ররোচনায় পড়ে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এসব করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্তের জন্য তিনি যশোর জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার হোসেনের ভাই শহিদ আলম জনি ও নূর ইসলাম, প্রতিবেশী মাহাফুজ খান, ভাগ্নে নূর নবী এবং মোঃ জিয়া সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।