মসজিদে আমলরত অবস্থায় তাবলিগ জামাতের কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করেছিলেন মামনুল হকের অনুসারীরা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মানিক কুমার স্টাফ রিপোর্টার:- মসজিদ আমলরত অবস্থায় তাবলিগ জামাতের কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করেছিলেন মামনুল হকের অনুসারীরা। যার নির্দেশদাতা ছিলেন মামনুল হক ও তার ভাই মাহফুজুল হক। মামলার এজাহার ও বাদীর দেয়া বক্তব্য থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বাদী জানান, মসজিদের জুতার বক্সস্ট্যান্ড দিয়ে পেটানোয় তাকে হাসপাতালেও থাকতে হয়। এ মামলার কারণেই বহুল আলোচিত মামুনুল এখন রিমান্ডে আছেন।রাষ্ট্রদ্রোহসহ নানা অভিযোগ থাকা প্রায় দেড় ডজন মামলার আসামি মামুনুল হক। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে ২০২০ সালের মোহাম্মদপুরে ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দেয়ার একটি মামলায়।মামলার বাদী তাবলীগ জামাত করেন।

আর এটাই তাদের মারধর করার মূল কারণ বলে জানান তিনি। বাদী বলেন, আমাদের বৃদ্ধ আমীর সাহেবকে মেরে ফেলে দিয়েছে, আমি উনাকে বাঁচানোর জন্য উনার ওপর শুয়ে পড়েছিলাম। পরে আমাকে মসজিদে যা পেয়েছে তা দিয়েই আমাকে মেরেছে।যারা মারধর করেন তাদের সবাই মাদ্রাসার ছাত্র। মামনুলদের অনুসারী। তিনি আরো বলেন, মামুনুল সাহেব আর মাফুজ সাহেব সহ তিনজন। হামলার পর অনেক দিন তিনি চোখে দেখতে পাননি, শরীরের অনেক অংশে আঘাত পেয়েছেন মারাত্মকভাবে।তিনি আরো জানান, জুতার বাক্স দিয়ে, জুতা দিয়ে, পা দিয়ে মারতে মারতে আমাকে ভর্তা বানিয়ে দেয়।

মামলার এজাহার

এক মাস আমার পুরো শরীরে কালো কালো দাগ ছিলো। চোখের ভিশন ছিলো না আমার একদিন। মাথার ভেতরে পেরেক ঢুকে গেছে।এই মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে আছেন মামুনুল। পুলিশ জানায়, রিমান্ডে মারধরের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।ডিএমপি’র তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার হারুনুর রশীদ বলেন, মসজিদে সাদপন্থী লোকদের যে উনি মারপিট করেছেন এবং তার লোকজন যে কোমলমতি শিশুদের মারধর করেছে তার ভিডিও তাকে আমরা দেখিয়েছি। সে বলেছে এটা তার করা ঠিক হয়নি। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ৬ মার্চ এশার নামাজের পর তাবলীগ জামাতের আমল করার সময় এ নিয়ে জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্র তা করতে নিষেধ করে ও ধর্ময় অনুভূতিতে আঘাত করে।