দৌলতপুরে নিকাহ্ ও তালাক রেজিষ্ট্রার সামছুল হক ও জামাই দুদু’র তেলেস্মাতি!

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email


দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি:- কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ২নং মথুরাপুর ইউনিয়নের নিকাহ্ ও তালাক রেজিষ্ট্রার হিসাবে দায়ীত্ব পালনকারী সামছুল হক একাই পালন করেন তিন দায়ীত্ব।
তথ্যমতে জানাযায়, ২নং মথুরাপুর ইউনিয়নের নিকাহ্ ও তালাক রেজিষ্ট্রার, তারাগুনিয়া শাহী মসজিদের ইমাম, তারাগুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে একাই তিনটি দায়ীত্ব পালন করেন সামছুল হক। ইউনিয়ন নিকাহ্ ও তালাক রেজিষ্ট্রার হিসেবে যদিও নিয়োগপ্রাপ্ত কাজী সামছুল হক তারপরেও অত্র ইউনিয়নের কাজী হিসেবে দায়ীত্ব পালন করেন তার জামাই দুদু। জামাই দুদু’ই অত্র ইউনিয়নে তার নাম সামছুল হক বলেই প্রমান করেন। আর সেখান থেকেই শুরু জামাই শশুরের তেলেস্মতি। নিকাহ্ ও তালাক রেজিষ্ট্রারের সময় শশুর সামছুল হক না থাকলেও হয়ে যায় এই গুরত্বপূর্ন কাজ। নিকাহ্ করেছেন এক দিন আগে? সমস্যা নাই তালাক দিতে পারবেন আজই। কাগজ পত্রের দরকার নাই মুখে যা বলবেন সেটাই হবে দলিল। চুড়ান্ত তালাক দেওয়ার আগে নোটিশ দেওয়ার কথা থাকলেও প্রয়োজন হবেনা নোটিশের, টাকা’ই সেটার সমাধান। যদি স্ত্রী ছেড়ে দিতে চাই স্বামীকে, সেটা হবে টাকার অংকের উপর। এমনকি কোন রকম চিকিৎসকের সার্টিফিকেট ছাড়াই বানিয়ে দিবে যৌন কর্মে দূর্বল/পাগল ইত্যাদি। আর যদি স্বামী তালাক দিতে চাই স্ত্রী’কে কোন রকম প্রমান ছাড়াই শুরু হবে স্ত্রী’র কালো অধ্যায়।
এব্যাপারে মথুরাপুর ইউনিয়নের কাজী সামছুল হকের নিজস্ব মোবাইলে ফোন দিলে তার জামাই দুদু প্রথমে নিজেকে সামছুল হক বলে পরিচয় দিয়ে কথা বলেন এবং নানা ভাবে তার দোষ অস্বীকার করার মিথ্যা চেষ্টা করেন। কথা বলার এক সময় তিনি সামছুল হক নয় বলে জানান সেই সাথে তার শশুরের কাজ তিনি নিজেই করেন বলে স্বীকার করেন। রেজিষ্ট্রার সনদপ্রাপ্ত মূল কাজী তার শশুরের সাথে কথা বলিয়ে দিতে বললে তিনি নেই বলে জানান জামাই দুদু।