অন্য মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ত্রাণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

খালেকুজ্জামান লাল জেলা প্রতিনিধি// করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় আড়াইশ মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে ত্রাণের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে লালমনিরহাটে দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। আর কিছু মানুষ পেয়েছেন বরাদ্দের অর্ধেক টাকা। তবে, বিষয়টিকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছেন অভিযুক্ত চেয়ারম্যান।জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বড়পুকুর গ্রামের স্বপ্নারানী ও রণজিৎ কুমার।

দুঃস্থ এই দম্পত্তির জাতীয় পরিচয় পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে দলগ্রাম ইউনিয়ন থেকে পাঁচশ টাকা করে তোলা হয়েছে ত্রাণের টাকা। কিন্তু দুইজনের কেউই পাননি এই টাকা।অভিযোগ আছে চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ বর্মণের মাধ্যমে বিতরণ হওয়া ত্রাণের টাকা তার ভাইয়ের ছেলে, গ্রাম পুলিশের এক সদস্যসহ তার আস্থাভাজনরা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।এছাড়াও নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্ব্যবহারেরও অভিযোগ আছে চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন ইউপি সদস্যরা।তবে, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়গুলো ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছেন কালীগঞ্জের দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ বর্মণ। তিনি বলেন, ‘যার যার টাকা সে নিজে এসে নিজেই টিপসই দিয়ে নিয়ে গেছে। এখন কেউ যদি পেয়েও বলে পাইনি, এটা হলো চেয়ারম্যানের সাথে শত্রুতাএ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে প্রশাসন।

লালমনিরহাট স্থানীয় সরকার অধিদপ্তরের উপ পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটা তো একেবারেই রিলিফের টাকা। ত্রাণের এ টাকা আত্মসাৎ করার সুযোগ নাই। আর যদি এরকম হয়ে থাকে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’দুর্যোগের সময় সরকারি সহায়তা আত্মসাতকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।