অবশেষে চট্টগ্রাম থেকে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুলসুমকে গ্রেপ্তার

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ওসামম চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি// অবশেষে চট্টগ্রাম থেকে হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুলসুমের বদলে কারাভোগ করছিলেন মিনু নামে নিরীহ এক নারী।চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নজরে আসার পর মিনুকে মুক্তি ও প্রকৃত আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।২০০৬ সালে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জ এলাকায় মোবাইল ফোনে কথা বলাকে কেন্দ্র করে গার্মেন্টস কর্মী কোহিনূরকে গলা টিপে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। দুই বছর তদন্তের পর ঘটনাটি খুন উল্লেখ করে পুলিশ প্রতিবেদন দিলে তা হত্যা মামলায় রূপ নেয়। ওই মামলায় ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত জেল খেটে জামিনে মুক্তি পান কুলসুম। ২০১৭ সালে মামলায় কুলসুমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আলাদত। সাজা হওয়ার পর ২০১৮ সালে মিনু আক্তারকে কুলসুম সাজিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি প্রথমে লিখিতভাবে আদালতকে জানান এক আইনজীবী।মিনুর আইনজীবী গোলাম মওলা মুরাদ বলেন, ‘এই ঘটনার পেছনে যারা জড়িত তাদের চক্রটা যদি বের করতে না পারি তাহলে এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে।’প্রায় তিন বছর কারাভোগের পর গত ১৬ই জুন কারাগার থেকে মুক্তি পান মিনু। মুক্তির ১৩ দিন পর দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মারা যান তিনি। এদিকে, কুলসুমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা বলছে, খুনি কুলসুমের সাথে প্রতারক চক্রের যোগসাজশ রয়েছে। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নেজামউদ্দিন বলেন, ‘এই চক্রের সাথে সম্পর্ক আছে মর্জিনা নামে এরকম একটি নাম আসছে। আমরা তাকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা করছি।’এদিকে, মিনুকে কুলসুম সাজিয়ে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় চট্টগ্রামের তিন আইনজীবী ও এক ক্লার্ককে তলব করেছে হাইকোর্ট।