আহনাফ বিশেষ প্রতিবেদক// তোমার সঙ্গে জরুরি কথা আছে ছাদে আসো’, বলে স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে বাড়ির ছাদে যান স্বামী সুমন মিয়া। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান তিনি।
শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তারগাছ এলাকায়। নিহত নারীর নাম জোনাকি আক্তার (২২)। তিনি সুনামগঞ্জের দোয়ারা সদর বাজার এলাকার আবদুল বারেকের মেয়ে।
চাকরি করতেন স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায়।নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, জোনাকি আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে রাজমিস্ত্রি সুজন মিয়ার (৩০) বিয়ে হয়। তিনি স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দুলাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বেশ কিছুদিন ধরে তাঁদের মধ্যে কলহ চলছিল। এর পর থেকে তাঁরা আলাদা থাকছিলেন।
শুক্রবার রাত পৌনে ৮টার দিকে সুজন মিয়া তাঁর স্ত্রীকে শ্বশুরের ভাড়া বাসার পাঁচতলার ছাদে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সুজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রী জোনাকির গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন চিৎকারের শব্দ শুনে ছাদে গিয়ে জোনাকিকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করেন। দ্রুত জোনাকিকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।







