কানাডার উদ্দেশে দেশ ছাড়লেন সদ্য মন্ত্রিত্ব হারানো ডা. মুরাদ হাসান

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- সম্প্রীতি অডিও কেলেঙ্কারি-নানান আলোচনা সমালোচনার পর মন্ত্রীত্ব ও দলীয় পদ হারিয়ে দেশ ছাড়লেন ডাক্তার মুরাদ হাসান।


বৃহস্পতিবার রাত ১ টা ২১ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা ছাড়েন তিনি। দুবাই হয়ে তার কানাডায় যাওয়ার কথা রয়েছে।

অডিও কেলেঙ্কারির পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মঙ্গলবার তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়েন ডাক্তার মুরাদ হাসান।

পরে তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যহতি দিয়ে দল থেকে বহিস্কারের সুপারিশ করে জেলা আওয়ামী লীগ। পরের দিন তার নির্বাচনি এলাকা সরিষাবাড়ির উপজেলা আওয়ামী লীগের পদ থেকে অব্যহতি দেয়া হয়।

তবে অডিও কেলেঙ্কারির পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন মুরাদ। ধানমন্ডির বাসায়ও যাচ্ছিলেন না তিনি। গুঞ্জন উঠে দেশে ছেড়ে যাওয়ার। বৃহস্পতিবার তার দেশ ছাড়া না ছাড়া নিয়ে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও।

পরে বৃহস্পতিবার রাতেই দেশ ছাড়েন তিনি। ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যরাতে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশ ছেড়েছেন তিনি। ফ্লাইটটি দুবাই হয়ে কানাডায় যাবে। তার কানাডার টিকিট রয়েছে।

ডাক্তার মুরাদ ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি সেখানে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন। ছিলেন সে প্রতিষ্ঠানটির ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি। তবে মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষা জীবনের শুরুর কিছু দিন বিএনপির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

তার বাবা মতিউর রহমান জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর। ২০০৮ সালে মাত্র ৩৪ বছরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি হন তিনি। পরে ২০১৪ সালে দলীয় মনোনয়ন পাননি। সবশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে এমপি হয়ে প্রথমে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পরে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

কিন্তু নানান মন্তব্যে বারবারই সমালোচনার জন্ম দেন ডাক্তার মুরাদ। সবশেষ চিত্রনায়ক ইমনের ফোনে নায়িকা মাহির সঙ্গে একটি ফোনালাপে ব্যাপক সমালোচিত হন তিনি। পরে হারান মন্ত্রীত্ব।