ময়মনসিংহে এসে ঘর বাঁধলেন তুর্কি তরুণী

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি:- প্রেমের টানে প্রেমিকের হাত ধরে তুরস্ক থেকে ময়মনসিংহে ছুটে এসেছেন আয়েশা ওজতেকিন নামে এক তরুণী।

শুক্রবার মুক্তাগাছার যুবক হুমায়ুন কবিরের সাথে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন আয়েশা ওজতেকিন। মুক্তাগাছা পৌর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাঙালি আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় আয়েশা-হুমায়ুনের বিয়ের আয়োজন।হুমায়ুন কবির জানান, রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর ২০১০ সালে স্কলারশিপ নিয়ে তুরস্কে পড়তে যান হুমায়ুন।

আঙ্কারা শহরের হাজেত্তেপে ইউনিভার্সিটিতে মেডিসিন বিভাগে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। এরপর ২০১৮ সাল থেকে আনতালিয়া শহরের লাইফ হসপিটালে শুরু হয় তার কর্মজীবন। ওই হাসপাতালেই প্রধান হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন তুর্কী তরুণী আয়েশা ওজতেকিন। সেই চাকরির সুবাদে পরিচয় দু’জনের।পরিচয় থেকেই প্রেম এবং অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে। তুর্কি কন্যা আয়েশা ওজতেকিন বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় অনেক নরম। এদেশের মানুষের মধ্যে ভালবাসাটাও বেশি।

অনেক আবেগীও।এসব কারণে আমি হুমায়ুনের প্রতি আকৃষ্ট হই। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না। আমি তাকে খুব ভালবাসি।তিনি আরও বলেন, প্রথমে বাবা রাজি ছিলেন না। পরে মা-বাবাকে রাজি করিয়েছেন।হুমায়ুনকে দেখার পর আমার মা-বাবা দুজনেরই পছন্দ হয়। তাই তারা এ সম্পর্ক মেনে নিয়েছেন।ময়মনসিংহের মানুষের আতিথিয়তায় আয়েশা মুগ্ধ এমনটি জানিয়ে তুর্কি তরুণী বলেন, এখানে আসার পর থেকেই আশপাশের মানুষ আমাকে দেখতে আসছেন, খোঁজ খবর নিচ্ছেন। বিমানবন্দরে এসে নেমেছিলাম তখন প্রায় অর্ধশত মানুষ আমাকে আনতে গিয়েছিল। এটা আমার কাছে খুবই আনন্দের ছিল এবং অবাক হয়েছিলাম।

আমার শ্বশুর-শাশুড়িও আমাকে অনেক আদর করেন।হুমায়ুনের বাবা হাসান আলী বলেন, ভিন্ন সংস্কৃতির মেয়ে হয়েও অল্প সময়ে আমাদের সাথে মানিয়ে নিয়েছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অকল্পনীয় ছিল। সব মিলিয়ে আমরা খুবই খুশি এবং তাদের দু’জনের উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করি।মা হোসনে আরা বলেন, তাদের যখন প্রেমের সম্পর্ক চলছিল তখন থেকেই আয়েশার সঙ্গে আমি কথা বলতাম ভিডিও কলে। তখনই সে আমার মন জয় করে নিয়েছে। হুমায়ুন কবির ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর এলাকার হাসান আলী ও হোসনে আরা দম্পতির ছেলে। আর আয়েশা ওজতেকিন তুরস্কের আনতালিয়া শহরের মাহমুদ ওজতেকিন ও সেফদা ওজতেকিন দম্পতির মেয়ে।

দলআঙ্কারা শহরের হাজেত্তেপে ইউনিভার্সিটিতে মেডিসিন বিভাগে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন তিনি। এরপর ২০১৮ সাল থেকে আনতালিয়া শহরের লাইফ হসপিটালে শুরু হয় তার কর্মজীবন। ওই হাসপাতালেই প্রধান হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন তুর্কী তরুণী আয়েশা ওজতেকিন।

সেই চাকরির সুবাদে পরিচয় দু’জনের।পরিচয় থেকেই প্রেম এবং অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে। তুর্কি কন্যা আয়েশা ওজতেকিন বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় অনেক নরম। এদেশের মানুষের মধ্যে ভালবাসাটাও বেশি। অনেক আবেগীও।

এসব কারণে আমি হুমায়ুনের প্রতি আকৃষ্ট হই। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না। আমি তাকে খুব ভালবাসি।তিনি আরও বলেন, প্রথমে বাবা রাজি ছিলেন না। পরে মা-বাবাকে রাজি করিয়েছেন।

হুমায়ুনকে দেখার পর আমার মা-বাবা দুজনেরই পছন্দ হয়। তাই তারা এ সম্পর্ক মেনে নিয়েছেন।ময়মনসিংহের মানুষের আতিথিয়তায় আয়েশা মুগ্ধ এমনটি জানিয়ে তুর্কি তরুণী বলেন, এখানে আসার পর থেকেই আশপাশের মানুষ আমাকে দেখতে আসছেন, খোঁজ খবর নিচ্ছেন। বিমানবন্দরে এসে নেমেছিলাম তখন প্রায় অর্ধশত মানুষ আমাকে আনতে গিয়েছিল।

এটা আমার কাছে খুবই আনন্দের ছিল এবং অবাক হয়েছিলাম। আমার শ্বশুর-শাশুড়িও আমাকে অনেক আদর করেন।হুমায়ুনের বাবা হাসান আলী বলেন, ভিন্ন সংস্কৃতির মেয়ে হয়েও অল্প সময়ে আমাদের সাথে মানিয়ে নিয়েছে।

আমাদের কাছে বিষয়টা অকল্পনীয় ছিল। সব মিলিয়ে আমরা খুবই খুশি এবং তাদের দু’জনের উজ্জল ভবিষ্যৎ কামনা করি।মা হোসনে আরা বলেন, তাদের যখন প্রেমের সম্পর্ক চলছিল তখন থেকেই আয়েশার সঙ্গে আমি কথা বলতাম ভিডিও কলে। তখনই সে আমার মন জয় করে নিয়েছে।

হুমায়ুন কবির ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর এলাকার হাসান আলী ও হোসনে আরা দম্পতির ছেলে। আর আয়েশা ওজতেকিন তুরস্কের আনতালিয়া শহরের মাহমুদ ওজতেকিন ও সেফদা ওজতেকিন এসব কারণে আমি হুমায়ুনের প্রতি আকৃষ্ট হই। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না।

এটা আমার কাছে খুবই আনন্দের ছিল এবং অবাক হয়েছিলাম। আমার শ্বশুর-শাশুড়িও আমাকে অনেক আদর করেন।হুমায়ুনের বাবা হাসান আলী বলেন, ভিন্ন সংস্কৃতির মেয়ে হয়েও অল্প সময়ে আমাদের সাথে মানিয়ে নিয়েছে।

হুমায়ুন কবির ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌর এলাকার হাসান আলী ও হোসনে আরা দম্পতির ছেলে। আর আয়েশা ওজতেকিন তুরস্কের আনতালিয়া শহরের মাহমুদ ওজতেকিন ও সেফদা ওজতেকিন দম্পতির মেয়ে। মেয়ে।