মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি// মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) দেশে নতুন শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই বেড়েছে। করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত এক মাসের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ।
সবশেষ গত ২৫শে নভেম্বর একদিনে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নতুন ৭ মৃত্যু নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৭০ জনে।এ সময়ে নতুন করে ৫০৯ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। দৈনিক শনাক্তের হিসেবে যা গত ১১ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর থেকে দৈনিক সংক্রমণ ৫০০ জনের নিচেই ছিল। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মোট আক্রান্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ২৭ জনে।
বৃহস্পতিবার (৩০শে ডিসেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৯৫ জন। এ নিয়ে এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৮১১ জন কোভিড রোগী। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার ৬৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষার বিপরীতে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ২ দশমিক ২৫ শতাংশ।এ পর্যন্ত মোট ১ কোটি ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৮১৫টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। প্রতি ১০০ জনে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে পুরুষ চারজন ও নারী তিনজন।
এ পর্যন্ত করোনায় পুরুষ ১৭ হাজার ৯৫৬ জন এবং নারী মারা গেছেন ১০ হাজার ১১৪ জন।বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব বয়সী চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে দুজন এবং একজনের বয়স ৫০ বছরের নিচে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম করোনার সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ই মার্চ।
ওইদিন তিনজন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় একই বছরের ১৮ই মার্চ। এরপর বিভিন্ন সময় করোনার সংক্রমণ কমবেশি হয়েছে।তবে চলতি বছরের মে মাসের শেষের দিকে দেশে করোনার ডেল্টা ধরনের দাপটে পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে।







