কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি// কুষ্টিয়া জেলা কুমারখালী উপজেলা পাহাড়পুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে হত্যা মামলার আসামিকে খুন করেছে প্রতিপক্ষ কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার চাপড়াই ইউনিয়নে এমন ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে স্থানীয় মন্ডল গ্রুপের হামলায় প্রতিপক্ষ লস্কর গ্রুপের আমিরুল ইসলাম (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়।
নিহত আমিরুল পাহাড়পুর গ্রামের মৃত সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতবছর পাহাড়পুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লস্কর গ্রুপের হামলায় মণ্ডল গ্রুপের নেহাদ ও বকুল নামে দুই ভাই নিহত হয়। এই জোড়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আমিরুল দীর্ঘদিন জেল খেটে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় আসে।তখন থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। ছোটখাটো সংঘর্ষ লেগেই থাকতো।
মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হঠাৎ দুই গ্রুপ জড়িয়ে পড়ে বড় ধরনের সংঘর্ষে। সংঘর্ষ চলার একপর্যায়ে আমিরুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ওই সংঘর্ষে দুই পক্ষের আরও ১০ জন আহত হন। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেপ্যা হয়েছে বলে জানা গেছে। এরপর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেকেই জানিয়েছেন গ্রামে লুটপাট চালিয়েছে একটি পক্ষ।
যে কোন সময় আরও বড় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ‘হত্যা মামলার আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে গ্রামে আসায় চাপা উত্তেজনা চলছিলো।
মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে আমিরুল নামে একজন নিহত হন। তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।






