সিনহা হত্যা: কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন খালাস পাওয়া ৭ আসামি

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

মানিক মিয়া স্টাফ রিপোর্টার:- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় খালাস পাওয়া পুলিশের ৪ সদস্য এবং এপিবিএন এর ৩ সদস্য কক্সবাজার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি টেকনাফ থানার সাবেক বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কারাবিধি অনুযায়ী কারাগারে রাখা হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার কারাগারের জেল সুপার নেছার আলম।

কারামুক্তরা হলেন, পুলিশের সদস্য এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্য এসআই শাহজাহান আলী, কনস্টেবল মোহাম্মদ রাজীব হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।জেল সুপার নেছার আলম জানান, সিনহা হত্যা মামলা রায়ে আদালত থেকে যারা অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন তারা আদালত থেকেই মুক্তি পাওয়ার কথা।

তবে গতকাল (সোমবার) বিকালে মামলার রায় ঘোষণার শেষে সব আসামির সঙ্গে খালাস পাওয়া অভিযুক্তদেরও কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গতকাল সন্ধ্যার আগে আদালতের পাঠানো আসামির তালিকা দেখার পর খালাস পাওয়া পুলিশের ৪ সদস্য এবং এপিবিএন এর ৩ সদস্যকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।জেলা সুপার আরও জানান, রায় শেষে আদালত যাদের সাজা দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বিকেলে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের কারাগারে আনার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কয়েদী পোষাক পরিয়ে কনডেম সেলে এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদেরও কয়েদী পোষাক পরানোর পর কারাগারের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।

মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় গতকাল সোমবার ঘোষিত রায়ে আদালতে টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা এবং পুলিশের সোর্স নিজাম উদ্দিন, নুরুল আমিন ও আয়াজ উদ্দিনকে।