মেহেদী হাসান বিশেষ প্রতিনিধি:- শেখ হাসিনাকে হটিয়ে তারেক রহমানের সরকার নয় বরং জাতীয় সরকার চাইলেন আ স ম আব্দুর রব ও কাদের সিদ্দিকীসহ বেশ কটি রাজনৈতিক দলের নেতারা।২রা মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনাসভায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন তারা। যদিও জাতীয় সরকারে কারা থাকবেন সে নিয়ে মতপার্থক্য ছিল আলোচকদের মধ্যে।২রা মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবসের ৫১ বছর উপলক্ষ্যে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা করে আ স ম আব্দুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি। অসুস্থতার কারণে প্রধান আলোচক বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত হতে পারেনি এতে। আলোচনায় নির্বাচনকালীন সঙ্কট সমাধানসহ সুশাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় সরকারের বিষয়টি সামনে আনেন নেতারা। নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আজকে এই মঞ্চে মির্জা ফখরুল ইসলামের থাকার কথা ছিল। বহুদিন ধরেই দেখছি জাফরুল্লাহ ও ফখরুল সাহেব একমঞ্চে যায় না বেশ কিছুদিন। তাই আজও আমি সেটাই ধরে নিয়েছি যে ফখরুল সাহেব আসবেন না।তিনি বলেন, রব যে পতাকা উড়িয়েছিলেন তা আজ শকুন খামচে ধরেছে। জাতীয় সরকারে আওয়ামী লীগ বা তাদের কোন দালালের ঠাঁই হবে না। এ সময় নিরপেক্ষ নয় বরং অন্তর্বতী সরকারের প্রস্তাব দেন মান্না।গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিএনপিকে নিয়ে কথা বলতে চাইনা। অনেকে মন ক্ষুন্ন হন। সত্য কথা অনেকে হজম করতে পারে না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দু’বছরের জন্য জাতীয় সরকার না আনলে দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র আসবে না।কেমন হবে এই জাতীয় সরকার, আর কাদের নিয়েই বা গঠিত হবে সেটি তা নিয়ে মতের অমিল দেখা যায় নেতাদের মধ্যে।জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, এই সরকারকে বিদায় করে জাতীয় সরকারের মাধ্যমে অবাধ,সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সবাই মিলে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেভাবেই আমরা নির্বাচন করবো।কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের চেয়াম্যান আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, বিএনপি বঙ্গবন্ধুকে স্বীকারই করতে চায় না। আওয়ামী লীগ ছেড়েছি কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে ছাড়িনি। শেখ রহমানের সরকার যেমন চাইনা তেমনি তারেক রহমানের সরকারও চাইনা। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি জামায়াত নিয়ে যে দ্বিচারিতা করেছে এমন হলে কেয়ামত পর্যন্ত কিছুই হবে না।







