ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:- কক্সবাজারে আগত সেই মেয়েকে ট্যুরিস্ট পুলিশের হেফাজত থেকে নিয়ে, ঢাকার পথে রয়েছেন মেয়েটির পিতা সহ অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার (১৭ই মে) মধ্যরাতে মেয়েটির পিতা, দুই বড় বোন এবং দুইজন নিকটাত্মীয় কক্সবাজার এসে পৌঁছান। এরপর ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন মেয়েটির দুই বোন। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কোন কথা বলেননি মেয়েটির পিতা। এসময় তাকে নির্বাক ও বিমর্ষ দেখা গেছে।
আজ বুধবার (১৮ই মে) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মেয়েটির পিতা জানিয়েছেন, কক্সবাজার থেকে তারা গভীর রাতে মেয়েকে নিয়ে ঢাকা উদ্দেশ্য যাত্রা দিয়েছেন। ঢাকার পথে রয়েছেন। ঢাকায় এখনো পৌঁছেননি।মেয়েটির দুই বোনের দেয়া তথ্য মতে, তাদের বোন ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলে পরীক্ষা দিতে গিয়ে গিয়ে তাদের বোনটি নিখোঁজ হন গত সোমবার (১৬ই মে)। সোমবার রাতেই এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী লিপিবদ্ধ করেন তারা। মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বোনকে নিতে তারা কক্সবাজার এসেছেন।
তবে মেয়েটি কক্সবাজারে কিভাবে এলো বিষয়টি তারা পরিষ্কার বলতে পারেননি।গত মঙ্গলবার (১৭ই মে) ভোরে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে ঢাকা থেকে আসা ওই মেয়েটিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার দিনভর চলে মেয়েটিকে ঘিরে নানা আলোচনা। মেয়েটি ধর্ষণ হয়েছে এমন কথাও শোনা যায়।ট্যুরিস্ট পুলিশের কক্সবাজার অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম জানান, লাবণী পয়েন্ট থেকে পাওয়া মেয়েটির দেয়া তথ্য মতে অভিভাবকদের খবর পাঠানো হয়েছিল।
সোমবার (১৬ই মে) মেয়েটি সেন্টমার্টিন পরিবহন নামের একটি বাস যোগে ঢাকা থেকে কক্সবাজার আসে। লাবণী পয়েন্টে এসে ব্যাগটি সৈকতের একটি কিটকটে রেখে হাঁটা-হাঁটি করে। ওই সময় ব্যাগ থেকে টাকা হারানোর তথ্য পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ একজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছিল। পরবর্তীতে মেয়েটিকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।অভিভাবকদের খবর দেয়া হলে রাতে অভিভাবকরা কক্সবাজার আসে। পরে মেয়েটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতিতে মেয়েটির দুই বোন কথা বললেও কোন কথা বলেননি পিতা। সকাল সাড়ে ১০ দিকে পিতা জানান, কিছু কথা রয়েছে। ঢাকায় বাসায় ফিরে তা তিনি বলবেন।







