নাটকীয় করোনা পরীক্ষায় মানসিক চাপে ফুটবলাররা, সুরাহা দাবি সাবেকদের

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email

ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:- ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা নিয়ে হযবরল অবস্থার দায় কার? এমন প্রশ্ন তুলে পুরো প্রক্রিয়াটির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দেশের সাবেক ফুটবলাররা। 
মনোবিদদের মতে, এমন ঘটনায় খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে অনেকটা চাপে পড়েছে। এদিকে, অব্যবস্থাপনার কথা স্বীকার করছে বাফুফে। প্রক্রিয়াটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে আশাবাদী তারা। মাঠে ফুটবল নেই দীর্ঘদিন। ফেরার আনন্দটা তাই ছিলো দ্বিগুণ। কিন্তু, সব ভেস্তে যেতে বসেছে কর্মকর্তাদের হঠকারী কর্মকাণ্ডে। এ, ওকে দোষ দিলেও, সমস্যাটা যে প্রকট বুঝেছে সবাই। তাই এবার ভিন্ন পথে বাফুফে। দ্বিতীয় দফায় সরকারি আর বেসরকারি দুটো প্রতিষ্ঠান রিসোর্ট থেকেই নমুনা নিয়েছে খেলোয়াড়দের। ভালোয় ভালোয় শেষ হবে সব কিছু, আশা ফেডারেশনের। তবে, যে যাই বলুক, আর যার দোষই হোক; ঘটনাগুলো যে শুভকর নয় দেশের ফুটবলের জন্য। সবার আগে তাই বিষয়টার সুরাহা চান সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনার দায় কার? খেলোয়াড়, বাফুফে না হাসপাতালের। এর একটা সুষ্ঠু তদন্ত প্রয়োজন। ভবিষ্যতে যেন এরকম কিছু না হয়। আমি দোয়া করি সব খেলোয়াড়দের ফলাফল যেন নেগেটিভ হয়। তারা যেন খুব দ্রুত মাঠে ফিরতে পারে।’
একইমত মনোবিদেরও। টানা হ্যাচড়ায় খেলা থেকে মনোযোগ সরেছে ফুটবলারদের। বড় আসরের আগে যা ভালো কোন লক্ষণ নয়। 
মনোবিদ তামান্না চৌধুরী জানান, ‘যারা পজিটিভ হয়েছেন তারা মানসিকভাবে এখন অস্থিতিশীল অবস্থায় আছে। নেগেটিভ রেজাল্টের ফুটবলারদের অবস্থাও ভালো থাকার কথা নয়। তারা নিজেদের পারফরমেন্স এবং স্বাস্থ্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে। কর্তৃপক্ষের উচিত তাদের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দেয়া।’
তবে, পুরানো কাসুন্দি ঘাঁটতে চায় না বাফুফে। নতুন টেস্টের পরই নেমে যেত চায় প্রস্তুতিতে। 
বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেন, ‘ফ্রিকোয়েন্টলি আমরা ফুটবলারদের করোনা টেস্ট অব্যাহত রাখবো। এর আগের টেস্টে টেকনিক্যাল কারণে কিছু ভুল হয়েছিলো। এবার আশা করি তেমন কিছু হবে না। খেলোয়াড় যাদের পজিটিভ হয়েছিলো, আমরা তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকেই বেশি মনোযোগী। কিছুটা মানসিক সমস্যা হবে সেটাও বুঝতে পারছি। তবে, ভয়ের কিছু নেই। বাফুফের মেডিকেল কমিটি, কর্মকর্তা আমরা সবাই তাদের সঙ্গে আছি।
আশা এখন, দ্রুতই পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হবেন রবিউল-রানারা। বিশ্বমঞ্চে উড়াবেন লাল সবুজের পতাকা।