Jashore , Friday, 23 October 2026
সর্বশেষ:
যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৪০ লাখ টাকার চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণ বিশ্ব পোলিও দিবস উপলক্ষে যশোরে রোটারির সচেতনতামূলক র‍্যালি কাল যশোরে ঢাক-কাঁসরের শব্দে প্রতিমা বিসর্জন রংপুর মেডিকেলে শর্টসার্কিট থেকে আগুন; আহত ৪০ হেফাজতে ইসলামের মধ্যস্থতায় ৭ কওমি দলের নতুন রাজনৈতিক জোট ‘সমমনা ইসলামি দল’ সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার অভিযোগে সিপিবির বিক্ষোভ সাত দশকের ঐতিহ্যবাহী ‘জামাই মেলা’! কোটি টাকার মাছ কেনাবেচার উৎসব যশোরে সার ডিলার নিয়োগে চরম দলীয়করণ ও দুর্নীতির অভিযোগ বিরোধী দলের ৫ এমপির অস্ত্র নিয়ে হামলা ও জমি দখলের হুমকি; যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে না, বিএনপির এমন অভিযোগ হাস্যকর: গোলাম পরওয়ার

রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন কবে পাবে বাংলাদেশ!

অনলাইন ডেস্ক :- করোনার থাবায় যখন প্রতিদিন বিশ্বের বহু মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে, তখনই প্রথম করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেন, মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার এই ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেয়েছে। বিশ্ববাসীর জন্য করোনার ভ্যাকসিন খুবই প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

পৃথিবীতে অন্যান্য মহামারি যেমন, কলেরা, গুটি বসন্ত, সোয়াইন ফ্লু, ইবোলা এসব মহামারির জন্য প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য মানুষ এতটা যুদ্ধ করেনি যতটা করোনার জন্য করতেছে।

অন্য যেসব দেশের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষমতা নেই তারা ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য বিশ্বের উন্নত ও ধনী দেশগুলোর দিকেই চেয়ে থাকবেন।

ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়া মাত্রই দ্রুতই এটি কিভাবে পাওয়া যাবে সেটা নিয়ে বাংলাদেশ কাজ করছে। কিন্তু ভ্যাকসিন পাওয়ার এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দৌড় কতদূর?

করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ভ্যাকসিন খাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাথে সোমবার একটি বৈঠক করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘যারা করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের অবিষ্কারে এগিয়ে আছে এবং ভ্যাকসিন ট্রায়ালে যে সমস্ত দেশ এগিয়ে আছে তাদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। সে বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছি আর এই বিষয়েই আমরা আজকে কথা বলছি।

বলেছেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এই যোগাযোগ তৈরি করার চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, ‘তাদের বহু বিশেষজ্ঞ রয়েছে যারা সরাসরি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে কাজ করছেন। তারা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যোগাযোগ তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভ্যাকসিন আনতে বাংলাদেশ কোনো অর্থ খরচ করছে কিনা সে ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন বাংলাদেশ ভ্যাকসিন দ্রুত পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ইউরোপে অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

মো. আব্দুল মান্নান বলেন, যে ভ্যাকসিনটি করোনাভাইরাস নির্মুল করার পরীক্ষায় সফল হবে, সেই ভ্যাকসিনটি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ অর্থ খরচ করবে। তবে অর্থের উৎস কি হবে সেটা এখনো নিশ্চিত করে বলেনি।

করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

এই ভ্যাকসিন বণ্টনে যেন কোনো বৈষম্য তৈরি না হয় সেজন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৯০ দেশকে নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের নামও রয়েছে।বাংলাদেশ ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে সক্ষম হলে যারা এই ভ্যাকসিন আগে পাবেন তারা হলেন, করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত, যাদের বয়স ষাটোর্ধ্ব, কিডনি, হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তারা পাবেন। সঙ্গে গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার থাকবে।

বাংলাদেশের জন্য ভ্যাকসিন কতটুকু জরুরি সে বিষয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর বলছেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, তাই আমাদের এই ভ্যাকসিনটি অত্যন্ত জরুরি। মহামারির জন্য আমাদের দেশের অনেক কিছু থেমে গেছে, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে সবকিছু এভাবে বন্ধ রাখার খুবই একটি সমস্যার বিষয়। কারণ জীবন বাঁচিয়ে রাখতে হলে জীবিকা লাগবেই

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 07:45 pm, Tuesday, 11 August 2020
43 Time View

রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন কবে পাবে বাংলাদেশ!

Update Time : 07:45 pm, Tuesday, 11 August 2020

অনলাইন ডেস্ক :- করোনার থাবায় যখন প্রতিদিন বিশ্বের বহু মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে, তখনই প্রথম করোনার ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ভ্যাকসিন আবিষ্কারের বিষয়ে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেন, মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার এই ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেয়েছে। বিশ্ববাসীর জন্য করোনার ভ্যাকসিন খুবই প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

পৃথিবীতে অন্যান্য মহামারি যেমন, কলেরা, গুটি বসন্ত, সোয়াইন ফ্লু, ইবোলা এসব মহামারির জন্য প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য মানুষ এতটা যুদ্ধ করেনি যতটা করোনার জন্য করতেছে।

অন্য যেসব দেশের ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ক্ষমতা নেই তারা ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য বিশ্বের উন্নত ও ধনী দেশগুলোর দিকেই চেয়ে থাকবেন।

ভ্যাকসিন আবিষ্কার হওয়া মাত্রই দ্রুতই এটি কিভাবে পাওয়া যাবে সেটা নিয়ে বাংলাদেশ কাজ করছে। কিন্তু ভ্যাকসিন পাওয়ার এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দৌড় কতদূর?

করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

সরকারের স্বাস্থ্য বিষয়ক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা ভ্যাকসিন খাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাথে সোমবার একটি বৈঠক করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান বলেছেন, ‘যারা করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের অবিষ্কারে এগিয়ে আছে এবং ভ্যাকসিন ট্রায়ালে যে সমস্ত দেশ এগিয়ে আছে তাদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা যায়। সে বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছি আর এই বিষয়েই আমরা আজকে কথা বলছি।

বলেছেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে এই যোগাযোগ তৈরি করার চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, ‘তাদের বহু বিশেষজ্ঞ রয়েছে যারা সরাসরি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে কাজ করছেন। তারা এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে যোগাযোগ তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভ্যাকসিন আনতে বাংলাদেশ কোনো অর্থ খরচ করছে কিনা সে ব্যাপারে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন বাংলাদেশ ভ্যাকসিন দ্রুত পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ইউরোপে অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

মো. আব্দুল মান্নান বলেন, যে ভ্যাকসিনটি করোনাভাইরাস নির্মুল করার পরীক্ষায় সফল হবে, সেই ভ্যাকসিনটি পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ অর্থ খরচ করবে। তবে অর্থের উৎস কি হবে সেটা এখনো নিশ্চিত করে বলেনি।

করণা ভাইরাসের ভ্যাকসিন

এই ভ্যাকসিন বণ্টনে যেন কোনো বৈষম্য তৈরি না হয় সেজন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৯০ দেশকে নিয়ে একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে বাংলাদেশের নামও রয়েছে।বাংলাদেশ ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে সক্ষম হলে যারা এই ভ্যাকসিন আগে পাবেন তারা হলেন, করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত, যাদের বয়স ষাটোর্ধ্ব, কিডনি, হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তারা পাবেন। সঙ্গে গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার থাকবে।

বাংলাদেশের জন্য ভ্যাকসিন কতটুকু জরুরি সে বিষয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর বলছেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, তাই আমাদের এই ভ্যাকসিনটি অত্যন্ত জরুরি। মহামারির জন্য আমাদের দেশের অনেক কিছু থেমে গেছে, আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে সবকিছু এভাবে বন্ধ রাখার খুবই একটি সমস্যার বিষয়। কারণ জীবন বাঁচিয়ে রাখতে হলে জীবিকা লাগবেই