Jashore , Thursday, 22 October 2026
সর্বশেষ:

চীন থেকে আমদানি হিমায়িত খাবারে করোনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- হিমায়িত খাবার করোনা মেলায় নেতিবাচক প্রভাব চীনের বাজারে।

চীনে আমদানি করা হিমায়িত খাবারে করোনা পাওয়া গেছে। নতুন করে সংক্রমণ ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ এরইমধ্যে মাছ মাংস আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়। সম্প্রতি চীনের দুটি শহরে আমদানি করা হিমায়িত খাবারে মেলে নভেল করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব। ব্রাজিল থেকে আনা মুরগির মাংস আর ইকুয়েডরের চিংড়িতে পাওয়া যায় প্রাণঘাতি এই ভাইরাস। যদিও কদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, হিমায়িত খাবারে করোনাভাইরাস বেশিদিন বাঁচতে পারে না। কিন্তু এ ঘটনা উদ্বিগ্ন করে তুলেছে দেশটির ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের। রেস্তোরাঁ মালিকরা জানায়, আমার কয়েক বন্ধু এরই মধ্যে চীনের বাইরে থেকে মাছ মাংস আনা বাদ দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ির কারণে আমদানি এখন অনেকটাই কঠিন।  তবে অবশ্যই জনস্বাস্থ্যের কথা সবার আগে ভাবতে হবে।

হিমায়িত খাদ্যে করোনা পাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছ মাংসের বাজারেও। সামুদ্রিক মাছ স্যামনেও পাওয়া গেছে ভাইরাস।  এক মাছ বিক্রেতা বলেন, আমার স্যামন মাছ সবাই  পছন্দ করে । কারণ আমি ভালো মানের মাছই সবসময় বিক্রি করি । কিন্তু অনেকে বলছে স্যামনেও নাকি করোনা পাওয়া গেছে। আগের চেয়ে তাই বিক্রি কমে গেছে।

“গেল বছরের শেষে চীনে উহানের প্রথম নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। যদিও প্রায় দুমাস আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করে দেশটির কমিউনিস্ট সরকার। তবে প্রয়োজনীয় সতর্কতা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে নাগরিকদের।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

About Author Information
Update Time : 09:14 am, Saturday, 15 August 2020
27 Time View

চীন থেকে আমদানি হিমায়িত খাবারে করোনা

Update Time : 09:14 am, Saturday, 15 August 2020

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- হিমায়িত খাবার করোনা মেলায় নেতিবাচক প্রভাব চীনের বাজারে।

চীনে আমদানি করা হিমায়িত খাবারে করোনা পাওয়া গেছে। নতুন করে সংক্রমণ ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ এরইমধ্যে মাছ মাংস আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। আর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়। সম্প্রতি চীনের দুটি শহরে আমদানি করা হিমায়িত খাবারে মেলে নভেল করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব। ব্রাজিল থেকে আনা মুরগির মাংস আর ইকুয়েডরের চিংড়িতে পাওয়া যায় প্রাণঘাতি এই ভাইরাস। যদিও কদিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছিল, হিমায়িত খাবারে করোনাভাইরাস বেশিদিন বাঁচতে পারে না। কিন্তু এ ঘটনা উদ্বিগ্ন করে তুলেছে দেশটির ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের। রেস্তোরাঁ মালিকরা জানায়, আমার কয়েক বন্ধু এরই মধ্যে চীনের বাইরে থেকে মাছ মাংস আনা বাদ দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের কড়াকড়ির কারণে আমদানি এখন অনেকটাই কঠিন।  তবে অবশ্যই জনস্বাস্থ্যের কথা সবার আগে ভাবতে হবে।

হিমায়িত খাদ্যে করোনা পাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাছ মাংসের বাজারেও। সামুদ্রিক মাছ স্যামনেও পাওয়া গেছে ভাইরাস।  এক মাছ বিক্রেতা বলেন, আমার স্যামন মাছ সবাই  পছন্দ করে । কারণ আমি ভালো মানের মাছই সবসময় বিক্রি করি । কিন্তু অনেকে বলছে স্যামনেও নাকি করোনা পাওয়া গেছে। আগের চেয়ে তাই বিক্রি কমে গেছে।

“গেল বছরের শেষে চীনে উহানের প্রথম নভেল করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। যদিও প্রায় দুমাস আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করে দেশটির কমিউনিস্ট সরকার। তবে প্রয়োজনীয় সতর্কতা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে নাগরিকদের।